রাস্তার মাঝে টেনে এনে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ইট দিয়ে মার, ভাইরাল হায়দরাবাদের ভিডিও
Connect with us

খুন

রাস্তার মাঝে টেনে এনে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ইট দিয়ে মার, ভাইরাল হায়দরাবাদের ভিডিও

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ হায়দ্রাবাদে এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার (Pregnant Woman) উপর প্রকাশ্যে বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। স্ত্রীর উপর ইট দিয়ে লাগাতার আঘাত করে পালিয়ে যান অভিযুক্ত স্বামী। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে গোটা ঘটনা, যা ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং জনমনে প্রবল ক্ষোভ তৈরি করেছে।

ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ৩২ বছরের বাশারত মহঃ , যিনি পেশায় একজন ইন্টিরিয়র ডিজাইনার। তাঁর স্ত্রীর নাম শাবানা পারভিন , যিনি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বাসিন্দা। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রাজস্থানের আজমীর দরগায় প্রথমবার পরিচয় হয় তাঁদের। একটি অটো রিকশায় ওঠার সময় শুরু হয় কথোপকথন, এবং সেখান থেকেই গড়ে ওঠে সম্পর্ক।

আরও পড়ুনঃ চাকরির জন্য খুন! স্ত্রীর হাতে প্রাণ গেল রেলকর্মীর, ধৃত প্রেমিক-সহ

বছর খানেকের মধ্যেই সম্পর্ক গড়ায় বিয়েতে। ২০২৪ সালের মে মাসে বাশারত শাবানার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় যান। ওই বছরের অক্টোবরেই কলকাতাতেই বিয়ের পর শাবানা চলে আসেন হায়দরাবাদে। তবে স্বপ্নের সংসার বেশিদিন টেকেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় অশান্তি ও নির্যাতন।

Advertisement
ads

২৯ মার্চ শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে শাবানা ভর্তি হন এক বেসরকারি হাসপাতালে। তখন তিনি জানান, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে মারধর করছেন। ১ এপ্রিল রাতে বাশারত হাসপাতালে যান স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে নিতে। কিন্তু শাবানা রাজি না হওয়ায় শুরু হয় বচসা। এরপর যা ঘটেছে, তা দেখে শিউরে উঠছেন সকলে।


সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, বাশারত শাবানাকে টানতে টানতে রাস্তায় নিয়ে যান এবং হঠাৎ করেই রাস্তার পাশ থেকে দুটি সিমেন্টের ইট তুলে নিয়ে তাঁর মাথা, বুকে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে একের পর এক আঘাত করতে থাকেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অন্তত ১২ থেকে ১৪ বার ইট দিয়ে আঘাত করা হয় শাবানাকে। এরপর অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়।

রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়া শাবানাকে হাসপাতালে ফিরিয়ে আনেন হাসপাতাল কর্মীরা। তিনি ছিলেন অচেতন অবস্থায়। পরে চিকিৎসকরা জানান, তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল।

২ এপ্রিল রাতে পুলিশ বাশারতকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই নির্মম ঘটনার তদন্তে পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজংগ্রহ করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Advertisement
ads