ভাইরাল খবর
তোলাবাজি রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’! রামপুর চেকপোস্ট কাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রশাসনে দুর্নীতি ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতিতে আরও একবার কঠোর অবস্থানের বার্তা দিল রাজ্য সরকার। প্রশাসনের কোনও স্তরেই দুর্নীতির স্থান নেই এবং আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন—এই বার্তাই সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ পোস্ট করে স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Zero Tolerance for Corruption: No One is Above the Law
The Government of West Bengal maintains an absolute “Zero Tolerance Policy” against corruption at any level of Administration, Department or Government. Extortion and Corruption will never be tolerated under any… pic.twitter.com/7ZlYMGEiVU
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) July 24, 2026
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্ট (Checkpost)-এ ঝাড়খণ্ড নম্বরের একটি পণ্যবাহী ট্রাক (Truck) সার্ভিসিং শেষে গ্যারেজে ফেরার পথে অন্যায়ভাবে আটকানো হয়। অভিযোগ, কর্তব্যরত আধিকারিকরা চালকের কাছে ঘুষ দাবি করেন। চালক ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার হওয়া একটি করের অজুহাতে বেআইনিভাবে ২২ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয় পরিবহণ দফতর (Transport Department)। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ড. রবি ইন্দর সিংয়ের স্বাক্ষরিত নির্দেশে রামপুর চেকপোস্টে কর্মরত দুই মোটর ভেহিক্যাল ইনস্পেক্টর (Motor Vehicle Inspector-MVI)—নাজিমুল হক ও অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্ভিসেস (ক্লাসিফিকেশন, কন্ট্রোল অ্যান্ড অ্যাপিল) রুলস, ১৯৭১-এর ৭(১)(এ) ধারা অনুযায়ী অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা নয়, গোটা ঘটনার ফৌজদারি তদন্ত (Criminal Investigation) ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের জন্য বিষয়টি অ্যান্টি-করাপশন ব্যুরো (Anti-Corruption Bureau-ACB)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অন্যায়ভাবে আটক রাখা ট্রাকটি দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশও জারি করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রশাসনের কোনও স্তরে দুর্নীতি, তোলাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার বা বেআইনি আর্থিক লেনদেন কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
