Connect with us

খুন

তৃণমূল কর্মীর উপর হামলা, ধারালো অস্ত্রের কোপে নৃশংস খুন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ধারালো অস্ত্রের কোপে মৃত্যু এক তৃণমূল কর্মীর। মৃত ষষ্ঠী ঘোষ (55)–এর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের ভরতপুর এলাকায়। বুধবার রাত আটটা নাগাদ তাঁর দেহ উদ্ধার হয় কুয়ে নদীর বাঁধের ধারে। নিহত ষষ্ঠী ঘোষ ভরতপুর থানার আলুগ্রাম পঞ্চায়েতের সেহালাই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সক্রিয় কর্মী ছিলেন। যদিও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে এই খুনের নেপথ্যে দায়ী করছেন স্থানীয়দের একাংশ। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে রাজনৈতিক যোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ (Kumar Saini Raj) জানান, “ব্যক্তিগত কারণেই এই খুন বলে মনে হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত তদন্তে কোনও রাজনৈতিক যোগ মেলেনি।” ষষ্ঠীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা ছিল বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি তাঁকে নিয়মিত থানায় হাজিরা দিতেও হত।

আরও পড়ুনঃ ‘বন্ধুত্বের বার্তা’ নিয়েই লন্ডনে মোদি, ব্রিটেনে ঐতিহাসিক চুক্তির অপেক্ষায় ভারত

Advertisement
ads

মৃতের পরিবারের দাবি, ষষ্ঠী ঘোষের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত মামলা মিথ্যা। ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছিল। স্ত্রী শ্যামলী ঘোষ বলেন, “বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ মাঠের কাজের জন্য লোক খুঁজতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন ও। সন্ধ্যায় খবর পাই তাঁর দেহ পড়ে আছে নদীর ধারে।”

ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় ভরতপুর থানার পুলিশ। মৃতের জামাই ভীমদেব পাল জানান, অতীতেও দু’বার ষষ্ঠী ঘোষকে খুনের চেষ্টা হয়েছিল।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ভরতপুর এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে টানাপড়েন চলছে। এই ঘটনাও তারই পরিণতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, “এই ঘটনার পেছনে রাজনীতি নেই। পুলিশ যথাযথভাবে তদন্ত করছে।”

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু’জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। হত্যার পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত জারি রয়েছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement