খুন
রাতে ফেরার সময় গুলি বুকে-মাথায়, ফের খুন তৃণমূল নেতা—৩৭ দিনে মৃত ১০
ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক রক্তক্ষয় থামছেই না। মাত্র ৩৭ দিনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) ১০ জন নেতা-কর্মীর খুনের পর এবার বাঁকুড়ার সোনামুখী (Sonamukhi) ব্লকের চকাই গ্রামে গুলিতে প্রাণ গেল তৃণমূলের বুথ আহ্বায়ক সিকন্দর খানের। মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ বড়জোড়ার পখন্না বাজার থেকে বাইকে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর।
অভিযোগ, DVC ক্যানালের পাড়ে আচমকাই পিছন থেকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মাথা ও পিঠে একাধিক গুলি লাগে সিকন্দরের। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, খুনের নেপথ্যে রয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি নাসিম শেখ (Nasim Sheikh)। ঘটনার পর থেকেই পলাতক নাসিম। তবে পুলিশ এখনও খুনের প্রকৃত কারণ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে—এটি রাজনৈতিক শত্রুতা নাকি ব্যক্তিগত আক্রোশ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ অপারেশন সিঁদুরে ক্ষতির অভিযোগ, ভারতের বিরুদ্ধে ঐক্যের ডাক পাকিস্তানের
তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, আগামী ছাব্বিশের ভোটে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়বে বুঝেই বিজেপি (BJP) ও সিপিএম (CPM) হাত মিলিয়ে এই খুন ঘটিয়েছে। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বই এই হত্যার মূলে। সিপিএমের প্রতিক্রিয়া এখনও আসেনি। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ১ মার্চ নর্দমা নির্মাণ নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে একই গ্রামে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন নাসিম শেখ।
এদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে (Basirhat) এই খুনকে ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, নিহত তৃণমূল কর্মী আনোয়ার হোসেন গাজির ভাই জাকির গাজি প্রতিশোধ নিতে গিয়ে মহিদুল শেখ নামে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। যদিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলি লাগে একটি বাড়ির দরজায়। পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে—এটি কি খুনের বদলায় পাল্টা খুনের চেষ্টা, নাকি অন্য কোনও কারণ, তা খুঁজছে পুলিশ।
