ভাইরাল খবর
তৃণমূলের সাংগঠনিক ফ্রেমে ব্রাত্য ‘বক্সীদা’? মমতার পাশে শুধুই অভিষেকের উপস্থিতি ঘিরে জল্পনা
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতীয় রাজনীতি (Political History) এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ইতিহাসে সুব্রত বক্সী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। দলের জন্মলগ্ন থেকে তিনি রাজ্য সভাপতি (State President) পদে আসীন। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দলে তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য ও ক্ষমতা (Authority) ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা (Candidate List) ঘোষণার সময় থেকেই এই পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। যখন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তালিকা ঘোষণার দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেন, তখন বক্সীবাবুকে কেবল একজন দর্শক হিসেবেই দেখা গিয়েছিল।
সূত্রের খবর, প্রার্থী নির্বাচনে সুব্রত বক্সীর কোনো সুপারিশ (Recommendation) গৃহীত হয়নি। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুগামী জয়প্রকাশ মজুমদারকেও তিনি টিকিট পাইয়ে দিতে পারেননি। গতকালের ভার্চুয়াল বৈঠকেও (Virtual Meeting) দেখা গেল এক তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্য। যেখানে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একসঙ্গে বসে প্রার্থীদের নির্দেশ দিচ্ছিলেন, সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্য সভাপতি। নীল ব্যাকগ্রাউন্ডের (Background) সেই ফ্রেমে বক্সীদা-র জন্য কোনো আসন বরাদ্দ ছিল না।
ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, বার্ধক্যজনিত কারণে শরীর ভালো না থাকায় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন, তবে অনেকের মতে তাঁর মনও ভালো নেই। রাজনীতি বিশ্লেষকদের (Political Analysts) মতে, তৃণমূলের অন্দরে ‘বৃদ্ধতন্ত্রের’ বদলে এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন নতুন প্রজন্মের হাতে সংগঠনের রাশ যাচ্ছে। গত নভেম্বরে তাঁকে বালিগঞ্জ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। রাজ্যসভার পুনর্মনোনয়নও (Renomination) তিনি চাননি বলে খবর। সব মিলিয়ে, একসময়ের অত্যন্ত প্রভাবশালী এই নেতার সাংগঠনিক বিদায় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

