রাজনীতি
সক্রিয় হতেই দিলীপের দাম্পত্য জীবন নিয়ে কুৎসা! সাইবার থানায় অভিযোগ রিঙ্কুর
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজনীতিতে ফের সক্রিয় (active) হতেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অভিযোগ, সোশাল মিডিয়ায় (social media) তাঁর বিবাহিত জীবন নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কুৎসা ও মানহানিকর (defamatory) পোস্ট করা হচ্ছে। বাধ্য হয়েই বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার (Bidhannagar Cyber Crime PS) দ্বারস্থ হলেন দিলীপপত্নী রিঙ্কু মজুমদার। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
দিলীপ ঘোষের বিয়ে ঘিরে আগেও নানা কটাক্ষ শোনা গিয়েছে। তবে সেসবকে গুরুত্ব না দেওয়ার বার্তাই দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি স্ত্রীকে নিয়ে আন্দামানে (Andaman) হানিমুনে যাওয়াকেও কেন্দ্র করে সমালোচনা হয়েছে। এই আবহেই রিঙ্কু মজুমদারের অভিযোগ, অনন্যা চট্টোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী নামের অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে মিথ্যা, কুরুচিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হচ্ছে।
রিঙ্কু বলেন, “দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরেছিলাম। কিন্তু থামেনি। আমার চরিত্র, স্বামী ও পরিবার নিয়ে লাগাতার কুরুচিকর পোস্ট চলছে। তাই সাইবার থানায় এসেছি। কড়া শাস্তি চাই।” তাঁর দাবি, এসব পোস্ট জনসমক্ষে তাঁদের ভাবমূর্তি (public image) ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কারও সঙ্গে অন্যায় হলে পুলিশের কাছে যাওয়াই স্বাভাবিক। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে।”
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে নিউটাউনের বাড়িতে ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে রিঙ্কু মজুমদারকে বিয়ে করেন দিলীপ। শোনা যায়, রিঙ্কুর দিক থেকেই প্রস্তাব আসে। বিয়ের পর স্ত্রীকে পাশে নিয়ে রাজ্যে পরিবর্তনের (change) শপথের কথাও বলেন তিনি।
রাজনৈতিকভাবে দিলীপ ঘোষের প্রত্যাবর্তন (comeback) নিয়েও আলোচনা চলছে। একসময় রাজ্য সভাপতি থাকা এই নেতার সাংসদ পদও খোয়াতে হয়। তবে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বৈঠক ও মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিতি, তারপর সাংবাদিক বৈঠক—সব মিলিয়ে ফের সক্রিয় ভূমিকার ইঙ্গিত মিলছে। সেই সময়েই রিঙ্কুর সাইবার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এনে দিল দিলীপের ব্যক্তিগত জীবনকে।


