ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) জরুরি বৈঠকের আবেদন জানিয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত নিজেরই বিপাকে পড়ল ইসলামাবাদ। পহেলগাঁও হামলা (Pahalgam Attack) নিয়ে পাকিস্তান যখন আন্তর্জাতিক মহলে সুর চড়াচ্ছিল, তখন নিরাপত্তা পরিষদ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পালটা প্রশ্ন তোলার মাধ্যমে তার স্বর আরও কঠিন করে দিল।
সূত্রের খবর, ১৫টি দেশের উপস্থিতিতে গোপনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পাকিস্তানকে পালটা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। বিশেষত, লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba)-র মতো পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে পরিষদের সদস্যরা পাকিস্তানের কাছে সোজাসাপটা প্রশ্ন করেন। পাকিস্তান দাবি করেছিল, ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করেই আক্রমণাত্মক নীতি অবলম্বন করছে, কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদ তাতে সায় দেয়নি।
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরুর আগেই আবার মোদি-ডোভালের বৈঠক
এই বৈঠক চলাকালীন পাকিস্তান দাবি করেছিল, ভারত সামরিক তৎপরতা বাড়াচ্ছে এবং উসকানিমূলক মন্তব্য করছে। তবে দীর্ঘ এক ঘণ্টার বৈঠকে, নিরাপত্তা পরিষদ পাকিস্তানের সামরিক কর্মকাণ্ড এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে, পাকিস্তান যেভাবে মিসাইল পরীক্ষা করছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আলোচনা করছে, তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা পাকিস্তানকে ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেয়। তবে, বৈঠকের শেষে পাকিস্তান কোনও সমর্থন লাভ করতে না পেরে একপ্রকার মুখ থুবড়ে পড়ে। এই বৈঠক শেষে রাষ্ট্রসংঘের তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, এবং সরকারিভাবে বৈঠকটি নিয়ে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে, ভারতের তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।