ভাইরাল খবর
সুপ্রিম কোর্টের এসআইআর নির্দেশ! নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ তৃণমূলের
ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ায় নজিরবিহীন সংকট তৈরি হয়েছে। হাতে মাত্র তিনদিন সময় থাকলেও এখনও প্রায় ৬০ লক্ষ অভিযোগের নিষ্পত্তি (Disposal) বাকি। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছে, কাজের গতি বাড়াতে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে জুডিশিয়াল অফিসার (Judicial Officers) নিয়োগ করতে হবে।
শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ আসার পরেই নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের দাবি, এই নির্দেশই প্রমাণ করে যে কমিশন প্রশাসনিকভাবে ব্যর্থ (Administratively Failure) এবং অযোগ্য।
তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডলে অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপি ও কমিশনের ‘আঁতাঁত’ ভোটার তালিকা থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র (Conspiracy) করছে।
.@ECISVEEP has effectively lost control over the conduct of the SIR process in Bengal. The terms are now being clearly dictated by the Hon’ble Supreme Court, as consistently urged by Smt. @MamataOfficial.
In an unprecedented move today, the Supreme Court was compelled to permit… https://t.co/vakGWZpTzV
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) February 24, 2026
অন্যদিকে, বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) ভাষা সমস্যার কথা তুলে ভিনরাজ্যের অফিসার নিয়োগের বিরোধিতা করলেও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kant) জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য এছাড়া অন্য পথ নেই।
কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রিপোর্টের ভিত্তিতে শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণ (Observation) করেছে যে, পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে প্রতিদিন ২৫০টি করে অভিযোগ নিষ্পত্তি করলেও অনেক সময় লেগে যাবে। অথচ ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ বাধ্যতামূলক। এই ডামাডোলের মধ্যে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন যে, শাসকদলের বাধার কারণেই বিচারকরা নিরাপত্তাহীনতায় (Insecurity) ভুগছেন। সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন উত্তপ্ত।
