ভাইরাল খবর
যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকের মৃত্যুতে উত্তাল রাজ্য, পুলিশের বিরুদ্ধে দেহ ‘হাইজ্যাক’-এর অভিযোগ
ডিজিটাল ডেস্কঃ ঝাড়গ্রামের চাকরিহারা শিক্ষক সুবল সোরেন (Subal Soren)-এর অকাল মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ছড়াল সহকর্মীদের মধ্যে। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৫ বছর। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মস্তিষ্কে ভয়াবহ রক্তক্ষরণের (Brain Haemorrhage) কারণে প্রাণ হারালেন তিনি। দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভর্তি হওয়ার পরও তাঁর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। সেই তালিকায় ছিলেন সুবলও। চাকরি হারানোর পর থেকে আন্দোলনে সরব ছিলেন তিনি, বহু কর্মসূচিতে সহকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। পরিবার সূত্রে খবর, স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় (Debra) ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। গত সোমবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে, পরে ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউ না থাকায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। কয়েকদিন ভেন্টিলেশনে (Ventilation) থাকার পর কোমায় চলে যান এবং শেষমেশ মৃত্যু হয়।
No shortCode found
স্ত্রীর অভিযোগ, চাকরি হারানোর পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন সুবল, নিয়মিত ওষুধ খেতেন না। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের সামনেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চাকরিহারা শিক্ষকরা। মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া আটকানোর চেষ্টা করেন, অভিযোগ তোলেন “চোরের মতো দেহ সরিয়ে নিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে”। তাঁদের দাবি, এই মৃত্যুর জন্য দায়ী রাজ্য সরকার, এবং এই ঘটনা আন্দোলনকে আরও তীব্র করবে।
পুলিশ হস্তক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বচসা বাঁধে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা বজায় রয়েছে, পরিবার এখনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
