দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর, জেলমুক্তি এখনও অপেক্ষার মুখে!
Connect with us

ভাইরাল খবর

দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর, জেলমুক্তি এখনও অপেক্ষার মুখে!

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। সিবিআই (CBI) দায়ের করা নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আলিপুর বিশেষ আদালত আজ (বুধবার) তাঁকে জামিন মঞ্জুর করেছে। যদিও গ্রেপ্তার করা হয়নি প্রাক্তন মন্ত্রীর (Ex-Education Minister) নামটি এই মামলায় চার্জশিটে থাকার কারণে আদালতে হাজিরা দিতে হয়। ৭ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর হলেও এখনও জেলমুক্তি হয়নি।

এই জামিনের সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য অভিযুক্তদের নামেও জামিনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ইমাম মোমিন (Imam Momin), পঙ্কজ বনসল (Pankaj Bansal), নীলাদ্রি দাস (Niladri Das), আব্দুল খালেক (Abdul Khalek), পর্ণা বসু (Parna Basu), সমরজিৎ আচার্য (Samarjit Acharya), দিলীপ ভৌমিক (Dilip Bhowmik), রোহিত ঝা (Rohit Jha), সুবীর ঘোষ (Subir Ghosh), জুঁই দাস (Jui Das) এবং সৌমিত্র ঘোষ (Soumitra Ghosh)।

আজ সকালেই তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক পরেশ অধিকারী (Paresh Adhikari) ও তাঁর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী (Ankita Adhikari) এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আলিপুর বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে। এ মামলায়ও  এদিন আদালতে হাজিরা দিয়েছেন তারা এবং জামিন মঞ্জুর হয়। 

Advertisement
ads

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে জেলবন্দি অবস্থায় আছেন। যদিও ইডি (Enforcement Directorate) এবং সিবিআই’র একাধিক মামলায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) তাঁকে জামিন মঞ্জুর করেছেন, তথাপি মামলার সংখ্যা এবং চার্জের ভেতরে থাকার কারণে তিনি মুক্ত হননি। বর্তমানে অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পার্থ।

তবে সিবিআই আজকের জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেছিল এবং বলেছে, “প্রতিটি মামলায় অভিযুক্তদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সামাজিক প্রভাব গভীর।” দীর্ঘ শুনানির পরও আদালত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করে।

এই জামিন প্রাক্তন মন্ত্রীর জন্য সাময়িক স্বস্তি বয়ে আনলেও, মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশনা ও বিচার প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে।

Advertisement
ads