বিপদের সময় পাশে না দাঁড়িয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল পাকিস্তান
Connect with us

পাকিস্তান

বিপদের সময় পাশে না দাঁড়িয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল পাকিস্তান

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: মাঝ আকাশে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বিপদে পড়ে যায় ভারতের একটি যাত্রীবাহী উড়ান। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুরোধ জানায় উড়ানের পাইলট, তবে তাতে একবিন্দু সহানুভূতি দেখায়নি ইসলামাবাদ। এমনই অভিযোগ তুলেছে ইন্ডিগো (IndiGo) বিমান সংস্থা।

জানা গিয়েছে, বুধবার প্রবল ঝড় ও শিলাবৃষ্টির মধ্যে পড়ে শ্রীনগরগামী একটি ইন্ডিগো উড়ান। যাত্রী সংখ্যা ছিল ২২৭। শ্রীনগরের আকাশে প্রবেশ করতেই শুরু হয় তীব্র শিলাবৃষ্টি। আকাশে ঘূর্ণিঝড়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। উড়ানের সামনে অংশে আঘাত হানে বড় বড় শিলা, যার ফলে প্লেনের নাকের অংশে ফাটল ধরে যায়। যাত্রীরা আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন, বিমানের মধ্যে তৈরি হয় আতঙ্কের পরিবেশ।

আরও পড়ুনঃ দীর্ঘ এক মাস বন্দিত্বের পর ঘরে ফিরছেন বিএসএফ জওয়ান পূর্ণমকুমার সাউ

পাইলট বাধ্য হয়ে লাহোর (Lahore) বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (ATC) সঙ্গে যোগাযোগ করেন, পাক আকাশসীমায় ঢুকে কোনও একটি নিরাপদ জায়গায় নামার অনুমতি চান। কিন্তু লাহোর এটিসি সেই অনুরোধ সরাসরি খারিজ করে দেয়। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই বাধ্য হয়ে পাইলটকে বিমান চালিয়ে নিয়ে যেতে হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি দক্ষতার সঙ্গে শ্রীনগর বিমানবন্দরে উড়ানটি নামাতে সক্ষম হন।

Advertisement
ads

ইন্ডিগোর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, যদি পাকিস্তান অস্থায়ী অনুমতি দিত, তাহলে বিপদের আশঙ্কা অনেকটাই কমানো যেত। বিমানটির সামনের অংশ এখনও ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই বিমানে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একটি প্রতিনিধি দলও। রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া (Manas Bhunia), সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien), মমতাবালা ঠাকুর (Mamatabala Thakur), নাদিমুল হক (Nadimul Haque) এবং সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh) ছিলেন ওই উড়ানে। তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) পুঞ্চ, রাজৌরি ও শ্রীনগরের পাক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশে।

২১ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সেই প্রতিনিধি দল বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পর্যালোচনা করে ফিরবেন এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট পেশ করবেন।

এই ঘটনার পর পাকিস্তানের মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক স্তরেও ইসলামাবাদের এই আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement