ভাইরাল খবর
ইউটিউব-ইনস্টাগ্রাম নয়, এবার স্কুলের ক্লাসরুমে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, বাজেটে বড় ঘোষণা
ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026) পেশ করতে গিয়ে অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েশন’ (Content Creation)-কে সামনে আনলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। রবিবার বাজেট ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন, মুম্বই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি (Indian Institute of Creative Technology)-র সহায়তায় দেশের ১৫,০০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (Secondary School) ও ৫০০ কলেজে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব (Content Creator Lab) তৈরি করা হবে।
নতুন প্রজন্মের কাছে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এখন শুধুই শখ নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা। সেই বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিয়েই সরকার এই ক্ষেত্রকে শিক্ষার মূলস্রোতে আনতে চাইছে। ল্যাবগুলিতে ক্যামেরা ব্যবহার, এডিটিং সফ্টওয়্যার (Editing Software), অ্যানিমেশন (Animation), ভিজ্যুয়াল এফেক্টস (VFX), স্টোরিটেলিং (Storytelling) ও ডিজিটাল প্রোডাকশন শেখানো হবে।
বাজেটে জানানো হয়েছে, এই খাতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা (₹10,000 crore) বিনিয়োগ করা হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রমের (Curriculum) অংশ হতে চলেছে। সরকারের মতে, এতে ডিজিটাল অর্থনীতি (Digital Economy) শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত খুলবে।
এই ঘোষণায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ক্রিয়েটরদের মধ্যে। ইনফ্লুয়েন্সার কুণাল বোস মনে করছেন, এতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা শিক্ষকতার সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক দিশা দেখাতে পারবেন। অন্যদিকে অরিজিৎ চক্রবর্তীর মতে, সরকারি অর্থ বরাদ্দের সঙ্গে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।
বং গাই কিরণ ও ঝিলাম গুপ্তা যেমন এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছেন, তেমনই উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন—সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়লে মৌলিক সৃজনশীলতা (Creative Freedom) ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬ কন্টেন্ট ক্রিয়েশনকে যে ভারতের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির অংশ হিসেবে দেখছে, তা স্পষ্ট।
