ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ছক বানচাল, দিল্লি থেকে ধৃত নেপালি আইএসআই এজেন্ট
Connect with us

হামলা

ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ছক বানচাল, দিল্লি থেকে ধৃত নেপালি আইএসআই এজেন্ট

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিল দেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির তৎপরতায়। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) ভারতে ভয়ঙ্কর হামলার ছক কষেছিল, যেটি পহেলগাম হত্যাকাণ্ডেরও আগেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে। সঠিক সময়েই এই ষড়যন্ত্রের জাল ভাঙতে পারায় বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে দেশকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

গোটা অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দিল্লির (Delhi) এক হোটেল থেকে ধৃত নেপালি বংশোদ্ভূত সন্দেহভাজন গুপ্তচর আনসারুল মিয়ান আনসারি (Ansarul Miyan Ansari)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানায়, ওই ব্যক্তি নেপাল হয়ে গোপনে ভারতে প্রবেশ করেছিল এবং পাকিস্তানে ফেরার পরিকল্পনার আগেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গিয়েছে, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৫ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের (Delhi Police Special Cell) যৌথ অভিযানে ধরা হয় আনসারিকে। তদন্তে উঠে এসেছে, সে ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) সংবেদনশীল নথিপত্র জোগাড় করে পাকিস্তানে পাঠাচ্ছিল। সেইসব নথি ইতিমধ্যেই ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্যের উপস্থিতি মিলেছে।

আরও পড়ুনঃ পহেলগাম হামলার বার্তা বিশ্বমঞ্চে, জাপানে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলের কূটনৈতিক বৈঠক

Advertisement
ads

তদন্তে উঠে এসেছে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য— কাতারে ট্যাক্সি চালানোর সময় আনসারি আইএসআই-এর এক হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগে আসে। পরে তাকে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে মগজধোলাই করে ভারতে গুপ্তচর হিসাবে পাঠানো হয়।

আনসারির বয়ানের ভিত্তিতে আরেক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয় ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) রাঁচি (Ranchi) এলাকা থেকে। তার নাম আখলাক আজম (Akhlaq Azam)। অভিযোগ, সেনার গোপন তথ্য জোগাড়ে আনসারিকে সাহায্য করছিল আখলাক এবং সেই তথ্য পাকিস্তানে পাচার করার দায়িত্বও তার উপরেই ছিল।

গোয়েন্দা সূত্রে স্পষ্ট, দিল্লিকে টার্গেট করেই বড়সড় সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ছিল আইএসআই-এর। তবে সময়োচিত পদক্ষেপে সেই ছক বানচাল করা সম্ভব হয়েছে। ফলে এক বড়সড় সন্ত্রাসী হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছে রাজধানী।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement