মৃত দুই ব্যক্তি—সুজিত দাস (২৩) ও সুধীরচন্দ্র পাইক (৬৫)—শুক্রবার রাতে জলসা দেখতে গিয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অনুষ্ঠানে ব্যবহার হওয়া হ্যালোজেন লাইট ভেঙে পড়ে এবং সেই সূত্রে তাঁরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তবে মৃতদের পরিবারের দাবি, দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, তাই এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন হতে পারে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
আরও পড়ুনঃ রোজগার মেলায় ৫১ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ, কলকাতায় যুবসমাজকে কাজের সুযোগের বার্তা ড. সুকান্তর
শনিবার সকালে এলাকায় পৌঁছে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, “এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। হিন্দু বলে খুন করা হয়েছে। এটা সরাসরি হিন্দু হত্যার ঘটনা। তদন্ত হওয়া উচিত।” তিনি জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী সোমবার খেজুরি বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে, তবে জাতীয় সড়ক বন্ধে রাখা হবে না।
তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য শ্যামল মিশ্র (Shyamal Mishra) পালটা দাবি করেছেন, “এই মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক, তবে দুর্ঘটনাজনিত। বিজেপি এই মর্মান্তিক ঘটনাকে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
ইতিমধ্যেই জনকা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসা পর্যন্ত উত্তেজনা প্রশমনের আশা ক্ষীণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।