অনুব্রত মণ্ডলের হাজিরায় অনিয়ম, পুলিশের ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও দেখা নেই তৃণমূল নেতার
Connect with us

ভাইরাল খবর

অনুব্রত মণ্ডলের হাজিরায় অনিয়ম, পুলিশের ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও দেখা নেই তৃণমূল নেতার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শনিবার বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নিজে হাজিরা না দিয়ে আইনজীবীদের এসডিপিও (SDPO) অফিসে পাঠিয়েছিলেন। পুলিশের কাছে সময় চেয়ে তিনি ২৪ ঘণ্টার সুযোগ পান। পুলিশ জানায়, রবিবার সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। কিন্তু সেই ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও অনুব্রত এখনও হাজিরা দেননি। তবু তাঁর আইনজীবীরা থানায় পৌঁছেছেন এবং তৃণমূল সূত্রের খবর বেলা দুইটার দিকে এসডিপিও অফিসে হাজিরা দিতে পারেন অনুব্রত।

ঘটনার পেছনে রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ওঠা এক অডিও ক্লিপের অভিযোগ। বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদার (Liton Halder)কে ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল এবং অশ্লীল কথা বলার সেই অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনার পর তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) পক্ষ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে অল্প সময়ের মধ্যে তিনি মেনে নেন। তবু পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করে।

আরও পড়ুনঃ অমিত শাহের রাজ্য সফর: সাংগঠনিক বৈঠক থেকে নতুন নির্বাচনী প্রস্তুতি

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা না দেওয়ার পর পুলিশ ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে জানায়, নির্দিষ্ট সময়ে হাজিরা দিতে হবে। বেলা সাড়ে ১০টার পর তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, আজ হাজিরা দিতে পারেন তিনি। তাঁর এক অনুগামী জানিয়েছেন, “দাদার শরীর ভালো নেই, তাই দুপুরে হাজিরা সম্ভব।”

Advertisement
ads

রোববারও অনুব্রত হাজিরা না দিলে পুলিশ কী কঠোর পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়ে এখনও পুলিশের তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ সূত্রের খবর, আরও একবার নোটিস দেওয়া হতে পারে এবং এরপরও হাজিরা না দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে, অনুব্রতর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের ডাকা তাতে সাড়া না দিয়ে তিনি সোমবার জেলা আদালত বা কলকাতা হাইকোর্টে জামিন আবেদন করতে পারেন।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় একটি অডিও ক্লিপ, যেখানে বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে (Liton Halder) অশ্লীল গালাগাল করছেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ফোনে তিনি পুলিশের স্ত্রী ও মাকে নিয়ে নোংরা কথা বলেন, যা প্রশাসন ও পুলিশের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। পরে নবান্নের (Nabanna) নির্দেশে অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়।

Advertisement
ads