হুমকি-কাণ্ডে কঠোর শাস্তি, ৬ বছরের জন্য TMCP নেতা সাসপেন্ড
Connect with us

ভাইরাল খবর

হুমকি-কাণ্ডে কঠোর শাস্তি, ৬ বছরের জন্য TMCP নেতা সাসপেন্ড

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিককে ফোনে হুমকি, সেই বিতর্কিত অডিও ক্লিপ ঘিরে উত্তাল বীরভূম (Birbhum)। অভিযোগের তির তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দিকে। যদিও দলীয় নির্দেশে তিনি লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। তবে তাতেও জল থেমে থাকেনি। অডিওটি আসল কি না তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

রবিবার অনুব্রত মণ্ডলের এক ঘনিষ্ঠ দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া সেই অডিও ক্লিপটি আসলে তাঁর কণ্ঠস্বর নয়। বরং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-এর সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “নেতার গলা নকল করে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে।” তবে এই ব্যাখ্যা ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন সন্দেহ।

এরই মধ্যে ফের সামনে এল আরও একটি বিতর্কিত ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে (Liton Halder) অশালীন ভাষায় হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) বীরভূম জেলা সভাপতি বিক্রমজিৎ সাউ (Bikramjit Sau)। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল চাপের মুখে পড়ে শাসক দল।

Advertisement
ads

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতিকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও বিক্রমজিৎ দাবি করেছেন, ভিডিওটি বেশ পুরনো এবং তিনি তা ইতিমধ্যেই মুছে ফেলেছেন। পাশাপাশি, ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি দলীয় নির্দেশ আসার আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।

সব মিলিয়ে পুলিশের সঙ্গে শাসক দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিরোধীদের দাবি, তৃণমূলের ‘গণতান্ত্রিক মুখোশ’ খোলসা হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ঘটনায়।