খুন
পণের চাপের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে
ডিজিটাল ডেস্ক: মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের রশিদপুর এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতার নাম আয়েশা খাতুন (Ayesha Khatun)। অভিযোগ উঠেছে, তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে হত্যা করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বছরখানেক আগে আয়েশার বিয়ে হয় এলাকার বাসিন্দা শেখ দিল্লোর (Sheikh Delhi) সঙ্গে। বিয়েতে দাবি অনুযায়ী পণও দেওয়া হয়েছিল পাত্রপক্ষকে। কিন্তু বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা আরও বেশি পণ দাবির চাপ দিতে থাকেন আয়েশার ওপর। তার স্বামী ভিনরাজ্যে কর্মরত থাকায় শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অত্যাচারের বিষয়টি বেড়ে যায়।
বুধবার রাতে আয়েশাকে তার শ্বশুরবাড়িতে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে এবং ঝুলিয়ে রেখেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় মৃতার পরিবার অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিস্তারিত খতিয়ে দেখছে। স্থানীয়রা বলছেন, পণ দাবির চাপ ও শারীরিক–মানসিক অত্যাচারের জন্যই এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার মানুষও আশা করছেন, ন্যায়ের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনা পুনরায় আলোচনায় এনেছে পারিবারিক সহিংসতা ও পণপ্রথার ভয়াবহতা। স্থানীয় সমাজকর্মীরাও উল্লেখ করেছেন, “এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করতে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।”


