বিশ্বের খবর
জি৭-এর কড়া বার্তা: “ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র নয়”, ইজরায়েলের পাশে শক্ত অবস্থানে আমেরিকা-ফ্রান্স-জার্মানি
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহে এবার কড়া বার্তা দিল বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলির মঞ্চ জি৭। কানাডায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক বৈঠকে আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন একত্রে ঘোষণা করেছে— “ইরানের হাতে কোনওভাবেই পরমাণু বোমা থাকা চলবে না।” একই সঙ্গে ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনও জানিয়েছে তারা।
জি৭ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং আমরা তাদের পাশে আছি।” পাশাপাশি স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, “ইরান যদি উত্তেজনা তৈরি করা বন্ধ করে, তাহলে গাজায় যুদ্ধবিরতি সম্ভব এবং গোটা পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরবে।”
তেহরানের পক্ষে এটা এক বড় কূটনৈতিক ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ইরান যে খুব শিগগিরই পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর পর্যায়ে পৌঁছে যাবে— এই উদ্বেগ থেকেই গত শুক্রবার ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ চালায় ইজরায়েল। এই অভিযানে ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রগুলিতে বিমান হামলা চালানো হয়।
ইজরায়েলের দাবি, ওই হামলায় নিহত হয়েছেন চিফ অফ স্টাফ মহম্মদ বাঘেরি, রেভোলিউশনারি গার্ডস কমান্ডার হোসেন সালামি, এমার্জেন্সি কমান্ডের প্রধান, প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং কমপক্ষে ছয় জন পরমাণু বিজ্ঞানী। আহত ও নিহত হয়েছেন আরও বহু সেনা ও আধিকারিক।
ইজরায়েলি প্রশাসনের বক্তব্য, ইরান যদি সত্যিই পরমাণু বোমা তৈরি করে ফেলে, তবে তা গোটা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ বিপদ হয়ে দাঁড়াবে। আর তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতেই তারা এ হামলা চালাতে বাধ্য হয়েছে।
