দুর্ঘটনা
নবান্ন অভিযানে চরম উত্তেজনা, পুলিশি বাধায় ধস্তাধস্তি-অভিযোগে আহত আরজি কর নির্যাতিতার মা
ডিজিটাল ডেস্কঃ নবান্ন অভিযান ঘিরে উত্তেজনা চরমে। আরজি কর মেডিকেল কলেজের (RG Kar Medical College) নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের নেতৃত্বে এগোচ্ছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু অভিযানের শুরু থেকেই বাধার মুখে পড়েন তাঁরা। অভিযোগ, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই পুলিশ (Police) ঘিরে রাখে তাঁদের। তবুও এগিয়ে গেলে, নির্যাতিতার মায়ের হাতের শাঁখা ভেঙে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে আঘাত করা হয় বলে দাবি পরিবারের।
নির্যাতিতার বাবা (Victim’s Father) বলেন, “হাইকোর্ট আমাদের অনুমতি দিয়েছে, তাহলে আটকাচ্ছেন কেন? আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই যাচ্ছি।” তাঁর অভিযোগ, পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয় তাঁদের। রেসকোর্স সংলগ্ন এলাকায় আটকে দেওয়া হলে তর্ক-বিতর্কের পাশাপাশি ধস্তাধস্তিও হয় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের।
অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মিছিল পার্ক স্ট্রিটে পৌঁছতেই পুলিশ ব্যারিকেডে আটকে দেয়। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা হলে লাঠিচার্জ (Lathicharge) শুরু হয়। তাতে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা রাস্তার উপর বসে পড়েন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন— নির্যাতিতার বাবা-মায়ের অনুমতি ছাড়া তাঁরা সরবেন না।
এরই মাঝে, অভিযানের সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন নির্যাতিতার মা (Victim’s Mother)। জানা যায়, তাঁর মাথা ঘোরা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয়। দ্রুত তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অসুস্থ হওয়ার আগেই তিনি অভিযোগ করেছিলেন— “কলকাতা পুলিশ মেরেছে। কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা পুলিশ এসে আমাকে ফেলে দিয়েছে, পিঠে মেরেছে, শাঁখা ভেঙে দিয়েছে।”
যদিও ডিসি পোর্টের দাবি, “কেউই তিলোত্তমার মাকে মারেননি।” কিন্তু ঘটনার পর রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়। আন্দোলনকারীরা জানান, যতক্ষণ না ব্যারিকেড সরানো হবে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তর মিলবে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে।
