কাশ্মীরে জঙ্গীহানার প্রভাব আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আশঙ্কা রপ্তানি ব্যবসায়ীদের
Connect with us

দেশের খবর

কাশ্মীরে জঙ্গীহানার প্রভাব আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আশঙ্কা রপ্তানি ব্যবসায়ীদের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার জেরে ফের চাপানউতোর শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। রপ্তানিকারকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি যদি আরও জটিল হয়, তা হলে মহদীপুর স্থলবন্দর দিয়ে চলা দৈনন্দিন বাণিজ্যে বড়সড় ধাক্কা লাগতে পারে।

উল্লেখ্য, মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০টি পণ্যবোঝাই লরি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সেই পণ্যবোঝাই গারিতে  পেঁয়াজ, আদা, রসুন, পাথরসহ একাধিক পণ্য সামগ্রী নিয়মিতভাবে রপ্তানি হয়। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার জেরে রপ্তানির সংখ্যা কমে ৩০০–৩৫০ লরিতে নেমে এসেছিল। পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও, পহেলগাম হামলার পর নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের: ‘বদলা হবেই, ইতিহাস থেকে মুছে যাবে পাকিস্তান

রপ্তানিকারক সংগঠনগুলির বক্তব্য, কাশ্মীরে সন্ত্রাসী ঘটনার পর বিএসএফের নজরদারি আরও কঠোর হয়েছে। সীমান্তে নিরাপত্তার বাড়তি সতর্কতা ও পণ্যের গতিবিধিতে সম্ভাব্য বিলম্ব বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। মহদীপুর এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে, যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রবাহ অব্যাহত থাকে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে কোনও বিঘ্ন না ঘটে।

Advertisement
ads

এদিকে, শুধুমাত্র পণ্য রপ্তানিকারকরা নন, সীমান্ত বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত লরি শ্রমিক, ক্লিয়ারিং এজেন্ট, পরিবহণ সংস্থা সহ হাজার হাজার মানুষের রোজগারও এই অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাণিজ্য মহলের মতে, দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর সরাসরি নির্ভর করে মহদীপুরের মতো আন্তর্জাতিক করিডরগুলির স্বাভাবিক কার্যকলাপ। তাই দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে ক্ষতির বহর আরও বাড়তে পারে বলেই সতর্কবার্তা দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Continue Reading
Advertisement