স্টোরি
যুদ্ধ জিতলেও হার মেনেছেন ভালোবাসায়!বক্সারের সঙ্গে পরকীয়া,স্বামীর থেকে দূরে মেরি কম
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের গর্ব, পদকজয়ী বক্সার মেরি কম। ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁর সাফল্যের গল্প যেমন অনুপ্রেরণাদায়ী, ঠিক তেমনই তাঁর পারিবারিক জীবনও বরাবর ছিল বহুজনের কাছে ‘পারফেক্ট কাপল’-এর উদাহরণ। কিন্তু সাম্প্রতিক একাধিক সূত্রের খবর, সেই সম্পর্কেই এখন ফাঁটল ধরেছে। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী K Onler Kom (অনলার)-এর থেকে আলাদা থাকছেন মেরি কম। যদিও তাঁরা এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি, তবে গুঞ্জন উঠছে—এই সম্পর্ক হয়তো বিচ্ছেদের দিকেই এগোচ্ছে।
সূত্রের দাবি, ২০২২ সালে মণিপুর বিধানসভা নির্বাচনে অনলার প্রার্থী হন মেরির অনুরোধে। প্রচার, ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য খাতে কোটি টাকার বেশি খরচ হলেও পরাজিত হন তিনি। এরপর থেকেই আর্থিক চাপ এবং মানসিক ক্লান্তি দু’জনের সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে শুরু করে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সেই সময় থেকেই বাড়তে থাকে দূরত্ব।
বর্তমানে মেরি ফরিদাবাদে সন্তানদের সঙ্গে বসবাস করছেন। অনলার রয়েছেন দিল্লিতে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে। দীর্ঘ দাম্পত্যে প্রথমবারের মতো এমন দূরত্ব দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন ঘনিষ্ঠ মহল। এমনও শোনা যাচ্ছে, সম্পর্ক আরও জটিল আকার নিয়েছে মেরির ব্যক্তিগত জীবনের নতুন এক সমীকরণ ঘিরে। যদিও এই সংক্রান্ত খবরের সত্যতা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে এবং কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।
আরও পড়ুনঃযুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ১৪ বছরের ভারতীয় বংশোদ্ভূতের কৃতিত্বে মুগ্ধ বাইডেন-ওবামা
দাম্পত্যে ওঠানামা নতুন কিছু নয়। কিন্তু যখন একজন স্ত্রী নিজের স্বামীর কেরিয়ার বিসর্জন নিয়ে এগিয়ে যান এবং স্বামীও স্ত্রীর স্বপ্নপূরণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন—তখন এমন একটি সম্পর্ক ভাঙনের মুখে দাঁড়ালে তা নিঃসন্দেহে হৃদয় বিদারক হয়ে ওঠে।মেরি কম ও অনলার—দু’জনেই এই মুহূর্তে নীরব। তাঁদের ঘনিষ্ঠদের মতে, সময়ই বলবে কোন দিকে এগোবে এই সম্পর্ক।
উল্লেখযোগ্যভাবে, অনলার নিজের ফুটবল কেরিয়ার ত্যাগ করেছিলেন মেরির কেরিয়ার গড়তে। সন্তানদের বড় করতেও মূল দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এখন সন্তানদের থেকে দূরে থাকায় বেশ বিপর্যস্ত বলেই খবর। ২০০৫ সালে বিয়ে হয় মেরি কম ও অনলারের। নানা উত্থান-পতনের সাক্ষী থেকেছে তাঁদের সম্পর্ক। কিন্তু এবারে যেন সম্পর্কের ভিতেই চিড় ধরেছে। বিচ্ছেদ নিয়ে যতই জল্পনা হোক, শেষ কথা এখনো বলেননি মেরি বা অনলার—তবে ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
