ভাইরাল খবর
লাহোরে ড্রোন বিস্ফোরণ! ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর আবার কাঁপল পাকিস্তান
ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তানের (Pakistan) লাহোর (Lahore) শহরে আচমকা বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল একাধিক অঞ্চল। বৃহস্পতিবার সকালে গোপালনগর ও নাসিরাবাদ এলাকায় মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ঘরবাড়ি, দোকানপাট ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ। আতঙ্ক আরও বাড়ায় বাজতে শুরু করা সাইরেনের শব্দ। বিস্ফোরণের ঠিক আগের দিনেই ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালিয়ে ধ্বংস করেছে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি। তার পরদিনই এই বিস্ফোরণ ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, একটি ৫-৬ ফুট দীর্ঘ ড্রোনের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানোর চক্রান্ত হয়েছিল। তবে দ্রুত পদক্ষেপে ওই ড্রোনটিকে গুলি করে নামানো হয়েছে বলেই দাবি করেছে পাকিস্তানের প্রশাসন। বিস্ফোরণস্থলের খুব কাছেই লাহোর সেনাঘাঁটি থাকায় ঘটনার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে পাক সেনা ও পুলিশ বাহিনী এলাকা ঘিরে ফেলে। সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওয়ালটন বিমানবন্দর সংলগ্ন বিমান চলাচল। রাস্তাতেও গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘মোদী কে গিয়ে বল’-আমদের কথা মোদী শুনেছে এবং যোগ্য জবাবও দিয়েছে
তবে এই বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে। ভারতের (India) তরফে কোনো হামলার দাবি করা হয়নি, তবে পরিস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিস্ফোরণের ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
এদিকে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালানোর পরও পাকিস্তান সীমান্তে আগের মতোই উসকানিমূলক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কুপওয়ারা সেক্টরে ফের শুরু হয়েছে গোলাগুলি। বুধবারও সীমান্তের ওপার থেকে চালানো হয় গুলিবর্ষণ। তারও আগে টানা ১০ দিনের বেশি সময় ধরে নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) বরাবর যুদ্ধবিরতির নিয়ম লঙ্ঘন করে গুলি ছুঁড়েছে পাক সেনা (Pakistan Army)।
ভারতের তরফে কড়া জবাব দেওয়ার পরও কোনও বদল দেখা যাচ্ছে না পাক অবস্থানে। বুধবার ভোরে কাশ্মীরে নিরস্ত্র গ্রামবাসীদের উপর বর্বর হামলায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। বৃহস্পতিবার ফের সীমান্তে গোলাগুলিতে জর্জরিত এলাকা।
পাকিস্তানের ভেতরে বিস্ফোরণ এবং সীমান্তে লাগাতার আগ্রাসন—দুয়ের সংযোগ নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। কূটনৈতিক মহলের মতে, পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে ইসলামাবাদের (Islamabad) পক্ষে।
