উত্তর দিনাজপুর
ভিক্ষাবৃত্তি করেই সংসার চলে প্রতিবন্ধী নারায়ণের। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন
ইটাহার, ১৪ জুন : জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী ইটাহারের কাঁপাশিয়া অঞ্চলের চুড়ামোন গৌরিপুর গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণ চন্দ্র দাস। সংসার বলতে বৃদ্ধা মা নলিনী দাস (৮৬) ও সে। সরকারি ভাবে জানিয়েও মেলেনি কোনো ভাতা বা প্রতিবন্ধী সাইকেল।
পূর্বে তাঁর মা দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন, তবে বয়সজনিত কারণে বর্তমানে তিনি কাজে যেতে পারেন না। তাই বাধ্য হয়েই কষ্ট করে হেঁটে এলাকা ঘুরে ভিক্ষাবৃত্তি করেই সংসার চালান নারায়ণ চন্দ্র দাস। প্রয়াত বাবার ভিটেমাটি ছাড়া সম্বল বলতে আর কিছুই নেই। বাঁশের বেড়ার ওপর মাটির প্রলেপ, ওপরে টিনের চালা। তারও অবস্থা শোচনীয়। বর্ষাকালে বৃষ্টির জল চুঁইয়ে পড়ে। সরকারি ভাবে মেলেনি কোনো ঘর তাই শত কষ্টেও ওই ঘরেই মা-কে নিয়ে বসবাস নারায়ণের।বর্তমানে লকডাউন আবহে বিনামূল্যে রেশন ব্যবস্থা চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই রেশন সামগ্রী ও ছেলের ভিক্ষা করে আনা অর্থ দিয়ে কোনোরকমে চলে সংসার, এমনটাই জানালেন নলিনী দেবী। তাই এই পরিস্থিতিতে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও সরকারি ভাবে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন অসহায় মা ও ছেলে। বিষয়টি জানতে পেরে ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেন বলেন, দ্রুত ওই পরিবারকে সরকারি ভাতা প্রদানের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী নারায়ণ চন্দ্র দাসকে হুইলচেয়ার বা ট্রাইসাইকেল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।
