কলকাতা
বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছে দিলীপ, উপহার ও শুভেচ্ছা জানাতে বাড়ি পৌঁছলেন BJP সদস্যরা
ডিজিটাল ডেস্কঃ বঙ্গ বিজেপির প্রভাবশালী নেতা এবং প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ শুক্রবার বিকেলে ঘরোয়া এবং অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। এই বিশেষ দিনটির সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকেল সাড়ে ৫টা। অনুষ্ঠানে দিলীপের মায়ের পাশাপাশি অন্য পরিজন এবং পাত্রী রিঙ্কু মজুমদারের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। দাওয়াতের তালিকায় অন্তত দু’-একজন বন্ধুবান্ধবও থাকবেন, তবে পুরো অনুষ্ঠানটি একেবারে সীমিত এবং ঘরোয়া পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে।
দিলীপ ঘোষের বিবাহের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজ্য বিজেপির নেতারা শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বাড়িতে ছুটে যান। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারসহ অন্যান্য নেতারা ফুলের তোড়া, মিষ্টির বাক্স এবং দিলীপের জন্য নতুন পোশাক উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে দলের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী কী শুভেচ্ছা জানাতে যাবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দিলীপ ও শুভেন্দুর সম্পর্ক রাজনৈতিক মহলে বেশ কিছুটা চমকপ্রদ, তবে বিবাহের মতো একটি সামাজিক অনুষ্ঠান রাজনৈতিক পার্থক্য ছাড়াই সম্পন্ন হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।
আরও পড়ুনঃ মায়ের ইচ্ছেতেই জীবনের নতুন অধ্যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিয়ের পিঁড়িতে দিলীপ ঘোষ
শুক্রবার সকালে দিলীপের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘দিলীপদার বিয়েতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। রাজনীতিতে যাঁরা সামাজিক জীবনে প্রবৃত্ত হন, তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন এবং রাজনৈতিক জীবন একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়। দিলীপের বিয়ের জন্য আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাই, তবে ওই দিন বিয়েতে থাকতে পারব না।’’
দিলীপ ঘোষের বিয়েতে সুকান্ত মজুমদার ফুলের তোড়া, মিষ্টির বাক্স এবং ধুতি-পাঞ্জাবি উপহার হিসেবে দেন। দিলীপও সবাইকে উপহার দিয়ে প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানান।
দিলীপের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তিনি গত লোকসভা ভোটের পর যখন খানিক বিষণ্ণ ছিলেন, তখন রিঙ্কু প্রথম তাকে সংসার বাঁধার প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে মায়ের চাপের ফলে দিলীপ এই সিদ্ধান্ত নেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে দিলীপ ঘোষের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা চলছে। সঙ্ঘ পরিবারের কিছু সদস্য দিলীপের বিয়ের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানালেও, তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে বিবাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলের অধিকাংশ নেতা দিলীপকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শেষ পর্যন্ত, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দিলীপ ঘোষের বিয়ে হয়ে যাবে, এবং রাজনীতির ‘বাউন্ডুলে’ নেতা এবার সংসারী হতে চলেছেন।
