বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে টেক্কা দিতে গেলে আধুনিক করতে হবে বিএসএনএলকে, প্রধানমন্ত্রী এবং যোগাযোগ মন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএসএনএলের আধিকারিকদের সংগঠন
Connect with us

দেশ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে টেক্কা দিতে গেলে আধুনিক করতে হবে বিএসএনএলকে, প্রধানমন্ত্রী এবং যোগাযোগ মন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএসএনএলের আধিকারিকদের সংগঠন

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক, ০৯ ডিসেম্বর :   নতুন বছরের শুরুতেই যখন 5 জি পরিষেবা আনার কথা ঘোষণা করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ টেলি সংস্থা রিলায়েন্স কর্তৃপক্ষ তখন, 4G প্রযুক্তি চেয়ে ফের সরকারের কাছে আবেদন জানাল সরকারি টেলিকম সংস্থা ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL)।

সংস্থার কর্মী সংগঠন ‘অল ইউনিয়নস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ বিএসএনএল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদকে চিঠি লিখে সংস্থার এগিয়ে যাওয়ার জন্য ৪জি প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ৪জি প্রযুক্তি আনা না হলে বিএসএনএল দু’বছরের বেশি টিকিয়ে রাখা যাবে না।দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থা কেন্দ্রের অধীনে থাকা বিএসএনএল পরিষেবা। আধুনিক যুগেও তাদের কাছে নেই 4জি স্পেক্ট্রাম। মোবাইলে বিএসএনএলের ইন্টারনেট ব্যবহার করেন এমন গ্রাহককে দূরবীন দিয়ে দেখলেও হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। ফলে গ্রাহকদের পরিষেবা দিতে গিয়ে বেসরকারি সংস্থা থেকে পিছিয়ে যেতে হচ্ছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই এই অবস্থা চললেও তাতে কোনো হেলদোল নেই কেন্দ্রীয় সরকারের। ইতিমধ্যে বিএসএনএলের প্রচুর কর্মীকে স্বেচ্ছা অবসর দিয়ে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বাঁচিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ আধিকারিক ও কর্মীদের কাছে। কারণ যা পরিস্থিতি তাতে আগামী দিনে এই সংস্থা টিকবে থাকবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্মীদের সংগঠন। কারণ রিলায়েন্স গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে নতুন বছরে তারা 5জি পরিষেবা আনতে চলেছে গ্রাহকদের জন্য৷ এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতী এয়ারটেল ছাড়াও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাগুলো তৎপর হয়ে উঠবে উন্নত ও আধুনিক পরিষেবা প্রদানের জন্য। সেক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা হয়ে বি এস এন এল কি করে পিছিয়ে থাকে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। আর সেকারণেই বিএসএনএল 4 জি পরিষেবা চালুর দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদকে চিঠি দিয়েছে বিএসএনএলের আধিকারিকদের সংগঠন।

Continue Reading
Advertisement