পদ খোয়াতেই দেবীর গয়না-টাকা আটকে রাখলেন তৃণমূল নেতা! অভিযুক্ত প্রাক্তন সম্পাদকের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর
Connect with us

ভাইরাল খবর

পদ খোয়াতেই দেবীর গয়না-টাকা আটকে রাখলেন তৃণমূল নেতা! অভিযুক্ত প্রাক্তন সম্পাদকের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের (Political transition) হাওয়া লাগতেই এবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এক অভিনব বিতর্ক সামনে এল। ক্ষমতাচ্যুত হতেই মন্দিরের প্রতিমার সোনার গয়না এবং পুজো তহবিলের অর্থ গ্রামবাসীদের ফেরত দিতে অস্বীকার করার অভিযোগ উঠল এক স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গি কালাইবাড়ি বুড়াকালী মন্দিরের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৮০ বছরের প্রাচীন (Ancient) এই মন্দিরের পুজো ও মেলা বিগত দিনে গ্রামবাসীরাই পরিচালনা করতেন। কিন্তু ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসতেই মন্দিরের রাশ নিজের হাতে নেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা সঞ্জয় দাস। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুজো কমিটির সম্পাদক (Secretary) পদে আসীন ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই মন্দিরের সমস্ত সোনা ও নগদ টাকা তাঁর হেফাজতেই থাকত। তবে সম্প্রতি রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই গ্রামের মানুষ ওই পুরনো কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি (New committee) গঠন করেন, যেখানে স্থান পাননি সঞ্জয় বাবু। নতুন কমিটির সভাপতি (President) হন দিলীপ দাস।

অভিযোগ, এরপরই সঞ্জয় দাসের কাছে গচ্ছিত থাকা প্রায় ৩ ভরি সোনার গয়না এবং নগদ ২ লক্ষ টাকা ফেরত চাইতে গেলে তিনি তা দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এমনকি গ্রামবাসীদের একাংশকে হুমকি (Threat) দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, দীর্ঘ ৮০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথমবার মায়ের পুজো সোনার অলঙ্কার ছাড়াই সম্পন্ন করতে বাধ্য হন গ্রামবাসীরা।

এই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার মন্দির কমিটির বর্তমান সভাপতি দিলীপ দাস বালুরঘাট থানায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (Written complaint) দায়ের করেছেন। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার (Deny allegations) করেছেন সঞ্জয় দাস। তাঁর পাল্টা দাবি, “আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে যিনি সভাপতি হয়েছেন তিনি একজন বিজেপি নেতা এবং এই নতুন কমিটি সম্পূর্ণ অবৈধ (Illegal)। কোনো বৈধ বা আইনি কমিটি এলে আমি অবশ্যই মায়ের সোনা এবং সমস্ত সামগ্রী ফিরিয়ে দেব।” পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement