ভোটের কাজে বাসের ব্যবহার! লাটে যাত্রীবাহী পরিবহন ব্যবস্থা
Connect with us

উত্তরবঙ্গ

ভোটের কাজে বাসের ব্যবহার! লাটে যাত্রীবাহী পরিবহন ব্যবস্থা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (Assembly Election) কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ডামাডোল শুরু হয়েছে। একদিকে যখন প্রশাসনিক প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক তখনই ভোটের কাজে সরকারি বাস ব্যবহারের সিদ্ধান্তে কার্যত লাটে উঠতে বসেছে সাধারণ যাত্রী পরিষেবা (Passenger Service)। প্রচুর সংখ্যক সরকারি বাস নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত হওয়ার প্রক্রিয়ায় ইতিমধেই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ব্যবস্থা সংকটের মুখে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেতে চলেছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের (NBSTC) পরিষেবা। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দফায় দফায় বাস রিকুইজিশন (Requisition) করা হচ্ছে। আধা-সেনা (Paramilitary Force) ও ভোটকর্মীদের (Polling Personnel) যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ বাসের সংখ্যা এখন অত্যন্ত সীমিত (Limited)।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে শিলিগুড়ি ডিপোর পরিসংখ্যানে। জানা গেছে, ওই ডিপোর মোট ১৩৮টি বাসের মধ্যে ৩০টি বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণে (Maintenance) রয়েছে। বাকি ১০৮টি বাসের মধ্যে ৪০টি বাস কমিশনকে দিয়ে দিতে হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য হাতে থাকছে মাত্র ৬৮টি বাস। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে শিলিগুড়ি-কোচবিহার ও শিলিগুড়ি-ইসলামপুরের মতো ব্যস্ত দূরপাল্লার রুটগুলোতে (Long-distance routes)। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাসের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যেতে পারে।

Advertisement
ads

পাশাপাশি, বাসের অভাবের সাথে সাথে কর্মীদেরও ভোটের কাজে নিয়োগ করায় তৈরি হয়েছে তীব্র কর্মী সংকট (Staff Shortage)। এই বিষয়ে শিলিগুড়ি ডিপোর ইনচার্জ (In-charge) নাথনি ঠাকুর জানিয়েছেন, “কমিশনের নির্দেশ পালন করা বাধ্যতামূলক। তবে সাধারণ পরিষেবা যাতে পুরোপুরি ভেঙে (Collapse) না পড়ে, আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

সব মিলিয়ে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, উত্তরবঙ্গের পরিবহন ব্যবস্থার ওপর চাপ ততই বাড়ছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এই মুহূর্তে প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

Continue Reading
Advertisement