ভাইরাল খবর
১ এপ্রিল থেকে টোল প্লাজায় নগদ লেনদেন বন্ধ, প্রতিবাদে বাস ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি মালিকদের
ডিজিটাল ডেস্কঃ জাতীয় সড়কের (National Highway) টোল আদায় ব্যবস্থায় আগামী ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রকের (NHAI) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন আর্থিক বছর থেকে টোল প্লাজায় আর নগদ লেনদেন (Cash Transaction) করা যাবে না। টোল ফি মেটাতে হবে কেবলমাত্র ফাসট্যাগ (FASTag) বা ইউপিআই (UPI)-এর মাধ্যমে।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বোস স্পষ্ট জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল থেকে নগদ লেনদেন বন্ধের নির্দেশ বহাল থাকলে তাঁরা রুট বাস পরিষেবা (Bus Service) বন্ধ রাখতে বাধ্য হবেন। তাঁদের দাবি, অনেক বাসচালক ডিজিটাল পেমেন্টে অভ্যস্ত নন। এছাড়া ইউপিআই ব্যবহার করলে ১.২৫ গুণ বেশি খরচ বহন করা স্থানীয় বাস মালিকদের পক্ষে অসম্ভব। সংগঠনের পক্ষ থেকে রুট বাসগুলোকে ছাড়প্রাপ্ত শ্রেণিতে (Exempted Category) রাখা এবং নগদ লেনদেন চালু রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
সরকারি সূত্রে খবর, ১,১৫০টিরও বেশি টোল প্লাজায় যানজট কমাতে এবং স্বচ্ছতা (Transparency) বাড়াতে এই ‘ডিজিটাল টোলিং ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে ৯৮ শতাংশের বেশি গাড়িতে আরএফআইডি (RFID) সক্ষম ফাসট্যাগ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বৈধ ফাসট্যাগ ছাড়া নগদে টোল দিলে নির্ধারিত হারের দ্বিগুণ (Double) টাকা জরিমানা হিসেবে দিতে হবে।
বাস মালিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—জাতীয় সড়কে অটো বা টোটোর মতো ধীরগতির যানবাহন (Slow-moving vehicles) বন্ধ করা, সার্ভিস রোডে বেআইনি পার্কিং রোখা এবং রুট বাসের জন্য আলাদা লেন (Dedicated Lane) রাখা। দাবি পূরণ না হলে ১ এপ্রিল থেকে রাজপথে বাস চলাচল নিয়ে বড়সড় অনিশ্চয়তা (Uncertainty) তৈরি হয়েছে।


