মমতার পরপর দুই চিঠির পর পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের; শুক্রবার দিল্লিতে তৃণমূলকে ডাক
Connect with us

ভাইরাল খবর

মমতার পরপর দুই চিঠির পর পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের; শুক্রবার দিল্লিতে তৃণমূলকে ডাক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) পরপর দু’টি কড়া ভাষার চিঠি (Strong Letters) পাঠানোর পরই অবশেষে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India – ECI)। চিঠিগুলিতে মমতা রাজ্যের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে দু’টি ‘উদ্বেগজনক’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। এর পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলকে (TMC Delegation) শুক্রবার দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকল কমিশন।

ইসি জানায়, রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে নিয়মিত আলোচনায় আগ্রহী তারা। সেই কারণেই তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে শুক্রবার সকাল ১১টা-য় বৈঠকে ডাকা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে উপস্থিত সদস্যদের নাম ও তাঁদের ব্যবহৃত গাড়ির (Vehicle Details) তথ্য ই-মেলের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তৃণমূল ইতিমধ্যেই ২৩ নভেম্বর কমিশনের কাছে সাংসদদের সঙ্গে আলোচনার সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছিল। তারও আগে জুলাই মাসে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে সুগঠিত যোগাযোগব্যবস্থা (Structured Communication System) তৈরির প্রস্তাব দেয় ইসি।

মমতার অভিযোগ—কারণ কী?

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ মূলত দুই বিষয়ে—

Advertisement
ads
  1. রাজ্যের সিইও দফতরের তরফে বাইরে থেকে ১,০০০ ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (Data Entry Operator)৫০ সফটওয়্যার ডেভেলপার (Software Developer) নিয়োগের সিদ্ধান্ত।

  2. বেসরকারি আবাসন কমপ্লেক্সে (Private Housing Complex) ভোটকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব।

মমতার বক্তব্য, এতদিন জেলা প্রশাসন (District Administration) প্রয়োজনীয় অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করে কাজ সামলাত। বর্তমানে BSK কর্মী (BSK Workers) ও চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটররাও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন।

তাই হঠাৎ করেই বিপুল সংখ্যক কর্মীকে কেন্দ্রীয়ভাবে সিইও দফতর কেন নিয়োগ করতে চাইছে—তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ভাষায়,
“সময়সূচি ও উদ্দেশ্য—দুটোই সন্দেহজনক।”

Continue Reading
Advertisement