ইরানকে খণ্ডবিখণ্ড করতে প্রস্তুত আমেরিকা, ট্রাম্পের যুদ্ধ বার্তা
Connect with us

বিশ্বের খবর

ইরানকে খণ্ডবিখণ্ড করতে প্রস্তুত আমেরিকা, ট্রাম্পের যুদ্ধ বার্তা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এবার সরাসরি ময়দানে নামলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আন্তর্জাতিক নিয়ম কানুনকে কার্যত অগ্রাহ্য করেই ইরানের (Iran) বুকে সুনির্দিষ্ট নিশানায় হামলা চালিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন তিনি। হামলার পরে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বললেন, “এবার শান্তির সময়।” তবে তার সঙ্গেই ইরানের প্রতি হুঁশিয়ারি ছুড়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কড়া ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, “শান্তির পথে না ফিরলে, আগামী হামলা হবে আরও ভয়াবহ, আরও প্রাণঘাতী।”

হোয়াইট হাউসে (White House) দাঁড়িয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “ইরানকে দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। গত কয়েক দিনের যা পরিস্থিতি দেখেছে বিশ্ব, তার থেকেও ভয়ঙ্কর বিপর্যয় অপেক্ষা করছে ইরানের জন্য।” একই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, “আমরা নিখুঁত হামলা চালিয়েছি। আমাদের টার্গেট লিস্টে এখনও অনেক নাম বাকি। পরবর্তী হামলা হবে আরও নির্ভুল, আরও দ্রুত।”

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতার খুনের মামলার সাক্ষীর পচাগলা দেহ উদ্ধার, উঠছে খুনের অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধি রুখে দেওয়া। তাঁর কথায়, “ইরানের পরমাণু শক্তি আজ ধ্বংস। বিশ্বের কাছে আমি স্পষ্ট করে জানাচ্ছি, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্রগুলি এখন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।” পাশাপাশি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) ভূয়সী প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, “আমরা একসঙ্গে লড়েছি, এক টিম হয়ে কাজ করেছি। এমন দৃঢ় সমন্বয় খুব কম দেখা যায়।”

Advertisement
ads ads

তবে মার্কিন হামলাকে তীব্র নিন্দা করেছে ইরান। তেহেরান (Tehran) জানায়, “এটা একটা কাপুরুষোচিত হামলা। আমাদের ক্ষতি তেমন কিছু হয়নি। তবে আমেরিকাকে এর চেয়েও ভয়ঙ্কর জবাব দেওয়া হবে।”
ইরান আরও জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার এই আচরণ পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং এর দায় সম্পূর্ণ ভাবে থাকবে ওয়াশিংটনের উপর।

মার্কিন-ইরান টানাপড়েনে বিশ্বের বহু দেশ এখন কূটনৈতিক সমাধানের দিকে তাকিয়ে। তবে ট্রাম্পের এই আগ্রাসী অবস্থান যুদ্ধের আশঙ্কাকে ফের তীব্র করে তুলল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।