ছেলের সামনে বাবাকে খুন, নিজেও গুরুতর জখম: আতঙ্ক ছড়াল কলকাতায়
Connect with us

কলকাতা

ছেলের সামনে বাবাকে খুন, নিজেও গুরুতর জখম: আতঙ্ক ছড়াল কলকাতায়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতার (Kolkata) বুকে ভরদুপুরে রক্তাক্ত খুন। কালীঘাট (Kalighat) থানা এলাকার বেণীনন্দন স্ট্রিটে (Beninandan Street) এক সোনার দোকানের কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। মৃতের নাম সৌমেন (Soumen)। গুরুতর জখম অবস্থায় তার ছেলে অঙ্কুর সরকার (Ankur Sarkar) বর্তমানে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন বেলা দু’টো নাগাদ বেনীনন্দন স্ট্রিটে একটি মালবাহী গাড়ি এসে পৌঁছায় দোকান সংস্কারের কাজে। গাড়িটি বেরনোর সময় হরিশ চ্যাটার্জি রোডের (Harish Chatterjee Road) কাছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সন্দীপ আগরওয়ালের (Sandeep Agarwal) সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে একটি সাইনবোর্ড ভেঙে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চালক ও ব্যবসায়ীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় গুগলের সম্মান, হোমপেজে ফুটল শোকের চিহ্ন

চিৎকার শুনে সৌমেন দোকান থেকে বেরিয়ে এসে ঘটনাস্থলে যান। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দা অশেষ সরকার ওরফে পিকলু (Asesh Sarkar alias Piklu) সেখানে এসে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পিকলু প্রথমে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এরপর আচমকাই পকেট থেকে ছুরি বের করে সৌমেনের বুকে, পেটে এবং ঘাড়ে একের পর এক আঘাত করে।

Advertisement
ads

সৌমেন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁর ছেলে অঙ্কুর বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়। অভিযোগ, পিকলু তখন তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে। অঙ্কুরও মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সৌমেনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অঙ্কুর আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত পিকলু ঘটনার পর থেকেই পলাতক। তার বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কালীঘাট থানার পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, ফুটেজে পিকলুকে পালাতে দেখা গিয়েছে।

এলাকায় বর্তমানে আতঙ্কের পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সংগ্রহ করছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement