রাশিয়ার মিসাইল হামলায় ইউক্রেনে ধ্বংস ভারতীয় ওষুধ সংস্থার গুদাম
Connect with us

দুর্ঘটনা

রাশিয়ার মিসাইল হামলায় ইউক্রেনে ধ্বংস ভারতীয় ওষুধ সংস্থার গুদাম

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ফের এক বিতর্কিত হামলার ঘটনা সামনে এসেছে, যার প্রভাব এবার সরাসরি ভারতীয় ব্যবসার উপর। শনিবার ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার মিসাইল হামলায় ইউক্রেনের মাটিতে অবস্থিত ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘কুসুম’-এর একটি গুদামঘর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এই হামলার ফলে বিপুল পরিমাণ জরুরি ওষুধ নষ্ট হয়েছে, যা মূলত শিশু ও বয়স্কদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হতো।

ইউক্রেনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত মার্টিন হ্যারিস ঘটনার ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রথম শেয়ার করেন। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কুসুম ফার্মাসিউটিক্যালসের গুদাম সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ছবিটি পরে রিপোস্ট করে ভারতের ইউক্রেন দূতাবাসও। তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন:ফের গুলি চলল মুর্শিদাবাদে! বাড়িতে ঢুকে হামলা আতঙ্কে মা-মেয়ে

‘কুসুম’ নামের এই সংস্থাটি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনে ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহে সক্রিয় ছিল। এই গুদামে বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক, পেইন রিলিভার ও লাইফ সাপোর্ট ওষুধ সংরক্ষিত ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে এমন মানবিক ও বেসামরিক পরিকাঠামোর উপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও নৈতিকতার সম্পূর্ণ লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন কিয়েভের কর্মকর্তারা।

এদিকে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আবারও আলোচনায় এসেছেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বহুবার তিনি দাবি করেছেন, ক্ষমতায় ফিরলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে পারবেন। এমনকি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে সরাসরি বাকবিতণ্ডার মধ্যেও ট্রাম্প শান্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন। জেলেনস্কিও একসময় আলোচনায় রাজি হন।

Advertisement
ads

কিন্তু সেই আলোচনা আজও বাস্তব রূপ পায়নি। উল্টে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। এবং এখন তা ছড়িয়ে পড়ছে বিদেশি সংস্থার পরিকাঠামোতেও, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার এই ধরণের পদক্ষেপ তার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শিশু ও প্রবীণদের জন্য তৈরি ওষুধ নষ্ট হওয়ার মতো ঘটনায় মানবিক বিপর্যয়ও ঘনিয়ে আসছে বলে মত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর।

Continue Reading
Advertisement