প্রেম, প্রতারণা ও অপমানের ভার সইতে না পেরে ঝাঁসিতে আত্মহত্যা আইন শিক্ষার্থীর
Connect with us

আত্মহত্যা

প্রেম, প্রতারণা ও অপমানের ভার সইতে না পেরে ঝাঁসিতে আত্মহত্যা আইন শিক্ষার্থীর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ঘরের আয়নায় লাল লিপস্টিকে লেখা মাত্র দুটি শব্দ— “I Quit”। তার পরই পাওয়া গেল ২১ বছর বয়সী এক আইন শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত দেহ। ভালোবাসা, প্রতিশ্রুতি, বিশ্বাস আর অবহেলার এক নির্মম অধ্যায়ে এমন করুণ পরিণতির সাক্ষী থাকল ঝাঁসির প্রেমনগর এলাকা।

মৃতার নাম দানিশ আরা, যিনি এক স্থানীয় কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে দাঁতের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এক দন্ত চিকিৎসক আসাদ-এর সঙ্গে আলাপ হয় দানিশের। সময়ের সঙ্গে সম্পর্কটি ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়। আসাদ তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন বলেও জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ চাকরির অপরাধে শিকল! স্বাবলম্বী হতে চাওয়া মেয়েকে ঘরবন্দি করলেন বাবা-মা

কিন্তু বাস্তবতা ছিল অন্যরকম। কিছু দিন আগেই আসাদের অন্যত্র বিয়ে হয়—এমন খবরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন দানিশ। তিনি এই বিয়ের বিরোধিতা করেছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও ডাকা হয় তাঁকে আসাদের বাড়িতে। সেখান থেকেই ঘটনার মোড় ঘুরে যায়। পরিবারের অভিযোগ, ৯ এপ্রিল আসাদের বাড়িতে গিয়ে দানিশ চরম অপমান ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। তার মোবাইল ও গাড়ির চাবি কেড়ে নেওয়া হয়, এমনকি দানিশের বাবা ও দাদুকেও ডেকে পাঠিয়ে অসম্মান করা হয়।

Advertisement
ads

সেদিন রাতেই দানিশ নিঃশব্দে নিজের ঘরে ফিরে যান। পরদিন সকালে তাঁকে ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ঘরের আয়নায় লেখা ছিল সেই হৃদয়বিদারক বার্তাটি—“I Quit”। পুলিশ আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আসাদ ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত চলছে।

Continue Reading
Advertisement