মালদা
প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নদী ভরাট করে চলছে বহুতল নির্মাণের কাজ, ক্ষোভ প্রকাশ এলাকাবাসীদের
চাঁচল, ৭ জুন : প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে জলাভূমি ভরাট করে চলছে নির্মাণের কাজ।গড়ে উঠছে একের পর এক বহুতল মার্কেট কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি। প্রকাশ্য দিবালোকে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই এই কাজ করে আসছে অসাধু নির্মাণ ব্যবসায়ীরা। নদীর একাংশ দখল করে চলছে মাটি ভরাটের কাজ।এভাবে নির্মিত হচ্ছে হোটেল-রেস্তোরা। ফলে ক্রমশই নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চাঁচলের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা মরা মহানন্দা নদী।
মূলত চাঁচল শহরের জল নিকাশীর অধিকাংশটাই গিয়ে পড়ত মহানন্দা নদীতে।কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে ওই নদীবক্ষে গড়ে ওঠেছে একের পর বহুতল। যায় ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলযন্ত্রণার ছবি দেখা যায় চাঁচল শহরের একাধিক এলাকায়। এই নদীচুরির ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি সরব হয়েছেন মালদা জেলা পরিষদ সদস্য সামিউল ইসলাম। এলাকার বাসিন্দা মাহবাবুল হক জানিয়েছেন, সম্প্রতি চাঁচলে মরা মহানন্দা নদী দখল করে চলছে এক বহুতল নির্মাণের কাজ। এছাড়াও এক রিসর্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে নদীর বুকে ১৩টি কালভার্টের ফলে নদীপথের গতি পরিবর্তন হয়েছে অনেকটাই। মূলত শহরের জল নিকাশী ব্যবস্থার আধার হল এই নদী। কিন্তু অবৈধ নির্মাণকাজের ফলে তা বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই ভেসে যাচ্ছে গোটা শহর। অন্যদিকে বে আইনি নির্মান কাজগুলি পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ সদস্য সামিউল ইসলাম। তিনি বলেন, মূলত নদীতে মাটি ভরাট করে অবৈধভাবে চলছে বহুতল নির্মাণের কাজ। বেআইনীভাবে নদী ভরাট করে নির্মাণ কাজের প্রবণতা রুখতে চাঁচলের মহকুমাশাসকের কাজে অভিযোগ করেছেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি নদীকে বাঁচাতে জেলাশাসকেরও দ্বারস্থ হবে বলে জানিয়েছেন সামিউল ইসলাম।
