জেলার খবর
পুরো প্রধানকে হুমকি! অ্যাকশন মুডে পুলিশ এই পর্যন্ত আটক আট, অভিযুক্তরা কে জানেন
হুমকি বার্তা পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে কৃষ্ণেন্দু বাবুর পরিবার জুড়ে। জানা যায়, ডি কোম্পানির নাম উল্লেখ করে প্রদীপ বলে পরিচয় দেয় এক ব্যক্তি। সেই মেসেজে বলা হয় বিশ পেটি অর্থাৎ বড় অংকের টাকা চাওয়া হয়েছে তাঁর কাছ থেকে।
এমনকি কৃষ্ণেন্দু বাবুর সঙ্গে ফোনেও কথা হয় ওই ব্যক্তির। প্রকাশ্যে এসেছে তাদের কথোপকথনের অডিও। যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করে দেখেনি আরসিটিভি সংবাদ। ফোনে বলা হয় বিশ পেটি ভেজ দিজিয়ে। নেহি তো আপকো অর আপকি ফ্যামিলি কো টোক দেঙ্গে। পাল্টা কৃষেন্দু বাবু প্রশ্ন করেন, ফ্যামিলি কো কেয়া? ফোনের ওপার থেকে জবাব আসে, আপ সমঝ লিজিয়ে।
সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে ইংরেজবাজার থানায় দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। কৃষেন্দুর দাবি, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ একটি মেসেজ তাঁর মোবাইলে আসে। সেই মেসেজে লেখা হয়েছে, ২০ পেটি দেনা হোগা আপকো। নেহি তো তুম অর তুমহারি ফ্যামিলি মেম্বার কো টোক দেঙ্গে।
আরও পড়ুন – বীরভূমে খুন তৃণমূল নেতা! ফের গোষ্ঠী কোন্দলের বলি তৃণমূল কর্মী
বিশ পেটির অর্থ ২০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এদিকে থানায় অভিযোগ জানানোর পরই কৃষ্ণেন্দু ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে জেলা পুলিশ।
মালদার ইংরেজবাজারের পুরচেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরীকে হুমকির অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনায় এখনো পর্যন্ত আটক আটজন। এই আটজনের বেশিরভাগ কালিয়াচকের বাসিন্দা এবং ইংরেজবাজারেরও রয়েছে একজন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে জেলা পুলিশ প্রশাসন সুত্রে।
উল্লেখ্য বিশ পেটি টাকা দাবী করে ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর কাছে মেসেজ ও ফোন আসে।বুধবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ একটি মেসেজ আসে। মেসেজপ্রেরক নিজেকে ‘ডি কোম্পানি’র প্রদীপ বলে পরিচয় দিয়েছে।
শুধু মেসেজ নয় , তাকে ফোনও করে ওই হুমকিদাতা। টাকা না পেলে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে জেলা পুলিশ প্রশাসন। বাড়ানো হয় পুর চেয়ারম্যানের নিরাপত্তাও।
আরও পড়ুন – ২০ পেটি আদায়! হুমকি বার্তা এল কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর কাছে
