মালদা
নেই সরকারী সাহায্য, আবেদন করেও মেলেনি ভাতা, ফলে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন অশীতিপর বৃদ্ধা
নিজস্ব সংবাদদাতা , চাঁচল , ০৪ মার্চ : স্বামীকে হারিয়েছেন প্রায় আড়াই দশক আগে। বয়সের ভারে চলাফেরা করাই দায়। কিন্তু প্রশাসনের কাছে বারংবার দরবার করেও মেলেনি বার্ধক্যভাতা। ফলে দিনগুজরান করাই কঠিন হয়ে পড়েছে চাঁচল-১ নং ব্লকের ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলপুকুর গ্রামের বাসিন্দা সমিজান বেওয়ার।
বিয়ের পর তিনি ছিলেন ওই পঞ্চায়েতের ভেবা-ডারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। কিন্তু প্রায় ২৫বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর বেলপুকুর গ্রামে মামার বাড়িতে আশ্রয় নেন সন্তানহীনা ওই বৃদ্ধা। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের কাছে বার্ধক্য ভাতা কিংবা বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করলেও কোন কাজ হয়নি। ফলে প্রতিবেশীদের সহায়তা কিংবা ভিক্ষাবৃত্তি করে কায়ক্লেশে দিন কাটান তিনি। সামিজান বেওয়া জানিয়েছেন, আধার ও ভোটার কার্ড অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ১৯৩৯ সালের ১ লা জানুয়ারি।নিয়মানুযায়ী বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য হলেও এত দিনেও কেউ তাঁর সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি।নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিলেও, ভোটে জিতে তার সমস্যার কোন সুরাহা হয়নি।ফলে এবারের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগে নারাজ ক্ষুব্ধ সামিজান বেওয়া। এই ঘটনায় স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তথা তৃণমূল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, এবিষয়ে তিনি অবহিত আছেন। নির্বাচন মিটে গেলে পঞ্চায়েত কতৃপক্ষকে এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানাবেন তিনি। অন্যদিকে চাঁচল-১ নং ব্লকের বিডিও সমীরণ ভট্টাচার্য্য অবশ্য জানিয়েছেন, ভোট প্রক্রিয়া মিটে গেলে ব্লক দপ্তরে আবেদন করলে গুরুত্ব সহকারে ভাতা প্রদানের বিষয়টিতে নজর দেওয়া হবে।
