কসবা ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তের গায়ে আঁচড়ের দাগ, ‘লাভ বাইট’ তুলে পালটা সাফাই আইনজীবীর!
Connect with us

ভাইরাল খবর

কসবা ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তের গায়ে আঁচড়ের দাগ, ‘লাভ বাইট’ তুলে পালটা সাফাই আইনজীবীর!

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা ল’ কলেজ গণধর্ষণ কাণ্ডে নয়া তথ্য উঠে এল মেডিক্যাল রিপোর্টে। মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র (Manojit Mishra)-র শরীরে তাজা আঁচড়ের দাগ পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই চিহ্ন প্রমাণ করে, নির্যাতিত তরুণী (Law Student) প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনায় ইতিমধ্যেই শিউরে উঠেছে রাজ্য। অভিযোগ, ২৫ জুন রাতে কলেজ ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকর্মীদের ঘরে গণধর্ষণের শিকার হন ২৪ বছরের ছাত্রী।

একইসঙ্গে অভিযোগকারী ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষাতেও দেখা গিয়েছে, তাঁর যৌনাঙ্গে ও শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এমনকি, গলায় রয়েছে কামড়ের দাগও। এই প্রেক্ষিতে অভিযুক্তের শরীরে আঁচড়ের চিহ্ন গুরুত্ব পাচ্ছে তদন্তে।

আরও পড়ুনঃ শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দিল্লির বাসভবনে ফিরলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

তবে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো ও মনোজিৎকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে বলে পাল্টা দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবী। মঙ্গলবার আদালতের বাইরে অভিযুক্তের পক্ষের আইনজীবী বলেন, “মনোজিতের ঘাড়ে লাভ বাইট রয়েছে। এটা ধর্ষণ নয়। প্রেমঘটিত সম্পর্কে এরকম হয়ে থাকে।” তাঁর আরও মন্তব্য, “আপনারা শুধু এক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখছেন। এফআইআরের কপি পড়লেই বোঝা যাবে, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।”

Advertisement
ads

এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা ও সামাজিক প্রতিবাদ। মহিলাদের একাংশ এবং ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই মনোজিতের আইনজীবীর বক্তব্যকে লজ্জাজনক ও প্রমাণ লঘুকরণ বলেই মনে করছেন।

তদন্তকারীরা যদিও জানিয়েছেন, মেডিক্যাল এবং ডিজিটাল প্রমাণ জোগাড় করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযুক্তের বয়ান, আঁচড় ও অন্যান্য শারীরিক চিহ্ন সবই বিচার বিশ্লেষণের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে পূর্ণ গতিতে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement