নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারে সুশীলা, মঞ্চে সমর্থনের বার্তা দিলেন বলেন্দ্র শাহ
Connect with us

বিশ্বের খবর

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারে সুশীলা, মঞ্চে সমর্থনের বার্তা দিলেন বলেন্দ্র শাহ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নেপালের (Nepal) রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতিতে আগামী প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) কে হবেন, তা নিয়ে চলছিল প্রবল জল্পনা। তবে বুধবার রাতেই একপ্রকার জল্পনায় ইতি টেনে কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ (Balen Shah) স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান জানিয়ে দিলেন—তিনি প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকিকেই (Sushila Karki) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

বলেন্দ্রর এই ঘোষণার পর অনেকেরই ধারণা, কুরসিতে বসা এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কারণ, এর আগে ‘জেন জি’ (Gen Z) আন্দোলনকারীদের তরফে বলেন্দ্রকেই অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার দাবি উঠেছিল। কিন্তু তাঁদের ফোন বা বার্তায় সাড়া না দিয়ে, বুধবার রাতে বলেন্দ্র নিজেই সমাজমাধ্যমে জানিয়ে দেন তাঁর পূর্ণ সমর্থন কারকির প্রতি।

তিনি লেখেন,

“দেশ এবার সোনালী ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে। আমি সকল নাগরিককে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানাই। আতঙ্ক নয়, ধৈর্য ধরুন। একটি অন্তর্বর্তী সরকার (Interim Government) গঠিত হতে চলেছে, যারা নতুন নির্বাচন পরিচালনা করবে।”

এরপরই তিনি বলেন,

Advertisement
ads ads

“প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার যে দাবি জনতার পক্ষ থেকে উঠেছে, আমি সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং পূর্ণ সমর্থন জানাই।”

এই মন্তব্যের পরেই নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা যেন অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়।

এছাড়াও বলেন্দ্র তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, ‘জেন জি’ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে উঠে আসা অন্যান্য সম্ভাব্য মুখের নাম—যেমন কুলমন ঘিসিং (Kulman Ghising), সাগর ধাকাল (Sagar Dhakal), এবং ধারানের মেয়র হারকা সামপাং (Harka Sampang)।

তবে সুশীলা কারকি এখনই প্রধানমন্ত্রী হয়ে যেতে পারবেন না। এর জন্য তাঁকে প্রথমে সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল (General Ashok Raj Sigdel)-এর সঙ্গে বৈঠক করতে হবে। তারপর রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল (President Ram Chandra Paudel) যদি সংসদ ভেঙে দেন এবং সম্মতি দেন, তবেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে পারবেন কারকি।

Advertisement
ads ads

সেই প্রসঙ্গেই বলেন্দ্র রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে বলেন, “এই ঐতিহাসিক ‘জেন জি’ বিপ্লবকে রক্ষা করতে সংসদ (Parliament) ভেঙে দেওয়া এখন জরুরি।”

এখন দেখার, এই রাজনৈতিক রদবদলের পর শান্তি ফিরবে কি না বুদ্ধের দেশে (Land of Buddha)। এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত সময়ের কাছেই রেখে দিতে হচ্ছে।