নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে মৃত্যু বেড়ে ৩০, কার্ফু জারি, সেনা টহল চলছে
Connect with us

বিশ্বের খবর

নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে মৃত্যু বেড়ে ৩০, কার্ফু জারি, সেনা টহল চলছে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ সোমবার থেকে ক্রমেই জটিল হচ্ছে নেপালের (Nepal) রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শুরু হওয়া ‘জেন-জি (Gen-Z) আন্দোলন’ রূপ নিয়েছে সহিংস বিদ্রোহে। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে কার্ফু (curfew) জারি রয়েছে, বহু এলাকায় জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা (emergency)

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই বিক্ষোভে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩০ জন (death) এবং আহত হয়েছেন হাজারের বেশি। রাজধানী কাঠমান্ডু (Kathmandu) কার্যত সেনার (Nepal Army) নিয়ন্ত্রণে। শহর জুড়ে চলছে কড়া নজরদারি।

সরকার পতনের পর বর্তমানে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন নেপালের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি (Sushila Karki)। তিনি সামান্য ব্যবধানে কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন শাহকে হারিয়ে ভার্চুয়াল ভোটাভুটিতে শীর্ষে আসেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির (K.P. Sharma Oli) পদচ্যুতির পরই শুরু হয় এই প্রশাসনিক রদবদল।

আন্দোলনের মূল কারণ:

এই বিক্ষোভের কেন্দ্রে রয়েছে দুর্নীতি (corruption), স্বজনপোষণ (nepotism) ও সরকারি সেন্সরশিপ (censorship)-এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দুর্নীতিকে আড়াল করতেই সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করা হয়েছে।

Advertisement
ads

বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। সোমবার নেপালের ৭৭টি জেলার জেল থেকে প্রায় ১৩ হাজার বন্দি (prisoners) মুক্ত করে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। একাধিক সরকারি ভবন এবং রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

 সেনার কড়া বার্তা:

এই অবস্থায় সেনাবাহিনী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে, “বিক্ষোভের নামে কোনও ভাঙচুর (vandalism) ও লুটপাট বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফলে দেশজুড়ে জারি হয়েছে নাইট কার্ফু। দিনে ও রাতে ২ ঘণ্টা করে শিথিলতা দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement