ভাইরাল খবর
চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে ‘সুপারি কিলিং’-এর ছায়া! দ্বিতীয় বাইক উদ্ধারে ঘনীভূত রহস্য
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক তথা প্রাক্তন বায়ুসেনা (Air Force) কর্মী চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে অত্যন্ত পেশাদার কায়দায় (Professional manner) চন্দ্রনাথকে লক্ষ্য করে গুলিবৃষ্টি করে দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার বারাসতের ১১ নম্বর রেলগেটের কাছ থেকে এই ঘটনায় ব্যবহৃত দ্বিতীয় মোটরবাইকটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে ৭ মে এয়ারপোর্টের কাছ থেকে প্রথম বাইকটি উদ্ধার হয়েছিল, যা দমদমের এক বাসিন্দার কাছ থেকে আড়াই মাস আগে চুরি গিয়েছিল।
তদন্তকারী আধিকারিকদের (Investigating officers) মতে, এটি একটি সুপরিকল্পিত ‘কন্ট্রাক্ট কিলিং’ (Contract Killing)। খুনিরা এতটাই ধূর্ত যে, ব্যবহৃত নিসান মাইক্রা গাড়ি এবং বাইকগুলোর চ্যাসিস ও ইঞ্জিন নম্বর ঘষে মুছে ফেলেছে। এমনকি আঙুলের ছাপ (Fingerprints) পর্যন্ত মেলেনি। পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রায় দেড় মাস আগে থেকেই খুনের ছক কষা হয়েছিল। অপারেশনের সময় চন্দ্রনাথের গাড়ির রাস্তা আটকে মাত্র ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে ৬ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজে (CCTV Footage) একটি রহস্যময় লাল রঙের গাড়ির গতিবিধিও লক্ষ্য করা গেছে, যা দিয়ে খুনিরা পালিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।
তদন্তে জানা গেছে, খুনে ব্যবহৃত আসানসোলের নম্বর প্লেট লাগানো বাইক এবং শিলিগুড়ির রেজিস্ট্রেশন থাকা গাড়িটির তথ্য পুরোপুরি ভুয়ো। পুলিশ নিশ্চিত যে, স্থানীয় কারোর সাহায্য ছাড়া ভিনরাজ্যের শার্প শুটাররা (Sharp Shooters) এভাবে রুট ম্যাপ তৈরি করতে পারত না। হত্যাকাণ্ডের কিনারা করতে সিআইডি (CID) ও এসটিএফ (STF)-এর অফিসারদের নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল ‘সিট’ (SIT) গঠন করা হয়েছে। অপরাধীরা যাতে সীমান্ত পেরিয়ে পালাতে না পারে, সেজন্য যশোর রোড সংলগ্ন সীমান্ত এলাকার থানাগুলিকে সর্তক (Alert) করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তাঁর ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে চন্দ্রনাথকে।


