শহরে এখনও পড়ে আছে পুজোর ব্যানার ও হোর্ডিং, দ্রুত সরাতে উদ্যোক্তাদের নির্দেশ মেয়রের
Connect with us

কলকাতা

শহরে এখনও পড়ে আছে পুজোর ব্যানার ও হোর্ডিং, দ্রুত সরাতে উদ্যোক্তাদের নির্দেশ মেয়রের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দুর্গাপুজো (Durga Puja) ও লক্ষ্মীপুজো (Lakshmi Puja) শেষ হলেও, কলকাতার (Kolkata) রাস্তাঘাটে এখনও রয়ে গেছে মণ্ডপের (Pandal) কাঠামো, ব্যানার (Banner), হোর্ডিং (Hoarding) আর বাঁশের রেলিং (Bamboo Railings)। শহরের একাধিক এলাকায় প্রতিমা বিসর্জন (Immersion) শেষ হলেও পথঘাট এখনো মুক্ত হয়নি উৎসবের আবর্জনা ও অগোছালো অবস্থা থেকে। এই পরিস্থিতিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) ক্ষোভ প্রকাশ করে উদ্যোক্তাদের (Organisers) উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন— “কলকাতাকে আবার আগের রূপে ফিরিয়ে দিন।”

বুধবার ছিল শহরের সব পুজো মণ্ডপ খুলে ফেলার নির্ধারিত শেষ দিন। কিন্তু উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্রই কোথাও আধখোলা মণ্ডপ, কোথাও বা পড়ে রয়েছে স্টেজ, মঞ্চ কিংবা ডাঁই করা বাঁশ। শহরের নানা প্রান্তে বিশাল আকৃতির বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং ও কাঠামো এখনও খোলা হয়নি। এতে যানবাহন চলাচল (Traffic Movement)পথচারীদের (Pedestrians) চলাফেরায় তৈরি হচ্ছে সমস্যা।

মেয়র স্পষ্ট বলেন, “এখনও বৃষ্টি হচ্ছে। মণ্ডপের নিচে মঞ্চে জল জমে থাকলে সেখান থেকে মশা (Mosquitoes) জন্মাবে। ডেঙ্গুর (Dengue) প্রকোপ এখন কম থাকলেও তা যাতে না বাড়ে, সে দিকেও নজর দিতে হবে।” তাঁর আবেদন, উদ্যোক্তারা যেন মশা প্রতিরোধে স্প্রে (Spray) করেন এবং দ্রুত মণ্ডপ ও অন্যান্য কাঠামো সরিয়ে ফেলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র আরও জানান, শহরের বর্জ্য নিষ্পত্তির জন্য ভবিষ্যতে ধাপায় (Dhapa) আর ভাগাড় (Dumping Ground) থাকবে না। সেখানে তৈরি হবে আধুনিক প্রসেসিং ইউনিট (Processing Unit)। জাতীয় পরিবেশ আদালত ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুন্যাল (NGT)-এর নির্দেশ মেনে আগামী তিন বছরের মধ্যে পুরসভার নিজস্ব জমিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান মেয়র।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement