অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহ আগে অজ্জয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যে তাঁর মেয়ে নিখোঁজ। তিনি জানান, মেয়ে নাবালিকা এবং কাউকে না জানিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। পুলিশের তরফে আধার কার্ড ও স্কুল রেকর্ড অনুযায়ী মেয়েটির বয়স ১৯ বছর বলা হয়, যা অনুযায়ী সে প্রাপ্তবয়স্ক।
পরে মেয়েটি নিজেই ফিরে এসে জানায়, সে স্বেচ্ছায় তার প্রেমিকের সঙ্গে (ভোভি সম্প্রদায়ের যুবক, SC/ST) থাকতে চায়। এরপরেই পুলিশ নিখোঁজ সংক্রান্ত মামলা বন্ধ করে দেয়। অজ্জয়ের পরিবার নতুন জন্মসনদ পেশ করে দাবি করে, মেয়েটি ১৮ বছরের নিচে। তাঁরা পকসো আইনে মামলা দায়েরের দাবি জানান।
আরও পড়ুনঃ হাসপাতালে গ্যাংস্টার খুনের জবাব, পুলিশের এনকাউন্টারে গুলিবিদ্ধ দুই অভিযুক্ত
নতুন জন্মসনদের ভিত্তিতে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হলেও, সেই সময়ের মধ্যেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন অজ্জয়। হোলালকেরে থানার সামনে মৃতদেহ রেখে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান পরিবার ও স্থানীয়রা। প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
চিত্রদুর্গার পুলিশ সুপার রঞ্জিত কুমার বান্দারু (Ranjit Kumar Bandaru) বলেন, “পুলিশ তার কাজ যথাযথভাবে করেছে। মেয়ের বয়স নথি অনুযায়ী ১৯। আত্মহত্যার ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।”
বলে রাখা প্রয়োজন, মেয়েটি লিঙ্গায়াত সম্প্রদায়ের এবং প্রেমিক ভোভি সম্প্রদায়ের— যা এই ঘটনার সামাজিক জটিলতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ঘটনার পরেও এলাকাজুড়ে উত্তেজনা অব্যাহত।