ডিজিটাল ডেস্ক: বীরভূমের রামপুরহাটে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। মেসের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ। পাশে পাওয়া গিয়েছে একটি চিঠি, যাতে লেখা— “কায়েম, তুমি ৪০টি গোলাপ দিও আমার কবরে।” এই চিঠি ঘিরেই রহস্য আরও গভীর হয়েছে।
নিহত ছাত্রী বীরভূমের চাঁদপাড়া হাইস্কুলের (Chandpara High School) একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনার জন্য রামপুরহাটের একটি মেসে থাকতেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে এক শিক্ষক ছাত্রীটির বাবাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর দেন। তড়িঘড়ি ছুটে যান পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
ঘরের ভিতরে পাওয়া চিঠিতে লেখা রয়েছে— “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” তবে সেই সঙ্গে ‘কায়েম’ নামের উল্লেখ এবং কবরে ৪০টি গোলাপ দেওয়ার অনুরোধ ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। জানা গিয়েছে, কায়েম ওই ছাত্রীর পিসতুতো দাদা এবং তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।
আরও পড়ুনঃ বাঙালিদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে পথে মমতা ও অভিষেক, আজ কলকাতায় তৃণমূলের মহামিছিল
তবে পরিবারের দাবি একেবারে ভিন্ন। তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনায় জড়িত একজন শিক্ষক, যিনি নিয়মিত ছাত্রীটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। যদিও অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেছেন, “I am being framed. The truth will come out soon.”
রামপুরহাট থানার পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রেমঘটিত টানাপোড়েন, পারিবারিক চাপ, না কি অন্য কোনও ষড়যন্ত্র— সব দিক থেকেই তদন্ত চালানো হচ্ছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, “No angle is being ruled out. Investigation is on.”