ভোটের মুখে মোদীর জোড়া উপহার! ‘পিএম গতি শক্তি’র হাত ধরে বাংলায় নতুন রেললাইন
Connect with us

দেশের খবর

ভোটের মুখে মোদীর জোড়া উপহার! ‘পিএম গতি শক্তি’র হাত ধরে বাংলায় নতুন রেললাইন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ভোটের দামামা বাজার আগেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য বড়সড় রেল উপহার ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি (Cabinet Committee on Economic Affairs) মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে দুটি বড় মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্পের (Multi-tracking projects) অনুমোদন দিয়েছে। মোট ৪,৪৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত (Implemented) হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (X) পোস্ট করে এই সুখবর দিয়েছেন।

Advertisement
ads

মূলত পণ্য পরিবহণে (Freight transport) গতি আনতে এবং বর্তমান রেললাইনের ওপর অতিরিক্ত চাপের বোঝা কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পিএম গতি শক্তি’ (PM Gati Shakti) মাস্টার প্ল্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে আসানসোল এবং সীতারামপুর সংলগ্ন রেল করিডোরে (Rail corridor) এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ঝাড়খণ্ডের কয়লা ও অন্যান্য খনিজ সমৃদ্ধ অঞ্চল থেকে পশ্চিমবঙ্গে কাঁচামাল পরিবহণ এখন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও সাশ্রয়ী হবে।

প্রকল্পের বিস্তার: এই প্রকল্পের আওতায় মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেকশনে কাজ হবে:

  • সাঁইথিয়া-পাকুর সেকশন: এখানে চতুর্থ রেললাইন (Fourth rail line) নির্মাণ করা হবে।

  • সাঁতরাগাছি-খড়গপুর সেকশন: এখানেও পণ্যবাহী ট্রেনের জট কাটাতে চতুর্থ লাইন তৈরি হবে।

রেল সূত্রের খবর অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের মোট ৫টি জেলা এই প্রকল্পের সুফল পাবে। এর ফলে ভারতীয় রেলের মানচিত্রে নতুন করে ১৯২ কিলোমিটার পথ যুক্ত হতে চলেছে। এর সরাসরি সুবিধা পাবেন প্রায় ৫,৬৫২টি গ্রামের মানুষ।

 নতুন এই ট্র্যাক তৈরির ফলে লজিস্টিক খরচ (Logistics cost) অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে ওই অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানের (Employment opportunities) সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া মালবাহী ট্রেনের জন্য আলাদা বা অতিরিক্ত ট্র্যাক থাকায় ভবিষ্যতে যাত্রীবাহী ট্রেনের (Passenger trains) গতিবেগও বৃদ্ধি পাবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় শান্তিনিকেতন ও তারাপীঠের মতো পর্যটন (Tourism) কেন্দ্রগুলোও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

Advertisement
ads

সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই মেগা প্রকল্প বাংলার শিল্প ও পরিকাঠামো (Infrastructure) উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Continue Reading
Advertisement