স্থানীয় সূত্রে খবর, চন্দনা ছিলেন এমএ পাশ, শিক্ষিত ও শান্ত স্বভাবের এক তরুণী। ওই দিন মায়ের সঙ্গে বাজারে গিয়ে একটি জামা পছন্দ করেন। তবে মায়ের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সেই জামা কিনে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে মনের মধ্যে প্রবল হতাশা জন্মায় চন্দনার।
পরিবারের দাবি, জামা কিনে না দেওয়ার ঘটনায় অভিমান করে চন্দনা মাকে আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে মা বাড়ি ফিরে মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন, তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে চাকদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠায়।
আরও পড়ুনঃ ‘হিন্দু বলেই খুন’, খেজুরি কাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু, তৃণমূলের পালটা অভিযোগ
প্রাথমিকভাবে একটি unnatural death মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিয়ে নিশ্চিত হতে নারাজ পুলিশ।
এদিকে, এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মনোবিদ মহল। তাঁদের মতে, এই ধরনের আত্মহননের পেছনে FOMO বা “Fear of Missing Out”-এর মতো মনস্তাত্ত্বিক চাপ কাজ করে থাকতে পারে। একজন মনোবিদ জানান, “আজকের যুগে social media validation আর peer competition তরুণ-তরুণীদের মনের উপর প্রচণ্ড প্রভাব ফেলছে। যা তাঁদের আবেগগত স্থিতি নষ্ট করছে।”
ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। প্রশ্ন উঠছে—মাত্র একটি জামা না পেয়ে কি সত্যিই কেউ জীবন শেষ করে দিতে পারে? সমাজের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবনার সময় এখনই, মনে করছেন বিশ্লেষকরা।