তেল আভিভে ইরানের পালটা মিসাইল হামলা, জেরুজালেম কেঁপে উঠল বিস্ফোরণে
Connect with us

যুদ্ধ

তেল আভিভে ইরানের পালটা মিসাইল হামলা, জেরুজালেম কেঁপে উঠল বিস্ফোরণে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে আশঙ্কা সত্যি হল। শনিবার ভোররাতে ইরানের পাল্টা মিসাইল হামলায় কেঁপে উঠল তেল আভিভ (Tel Aviv)। রাতের আকাশে আগুনের গোলা, বিস্ফোরণের ভয়াবহ শব্দে প্রকম্পিত ইজরায়েলের (Israel) রাজধানী। শুধু তেল আভিভ নয়, বিস্ফোরণের আওয়াজ পৌঁছয় জেরুজালেম (Jerusalem) পর্যন্ত। শহরের আকাশজুড়ে বেজে ওঠে সাইরেন।

শুক্রবার ইরানে (Iran) হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের পাল্টা প্রত্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শনিবার ভোরে ইরান দীর্ঘ ৬৫ মিনিটের মধ্যে ইজরায়েলের দিকে ছুড়ে দেয় প্রায় ২০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল। এমনটাই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। ইরান এই অপারেশনের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৩’ (Operation True Promise 3)। তেহরানের তরফে জানানো হয়েছে, ইজরায়েলের একাধিক সেনা ঘাঁটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।

সূত্রের খবর, ইরানের হামলায় এখনও পর্যন্ত এক জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ৩৪ জন। তবে পালটা জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি ইরান। এদিকে ইজরায়েল শুক্রবার ইরানের ৩৩০টিরও বেশি জায়গায় হামলা চালিয়েছিল। এই অপারেশনের নাম ‘অপারেশন রাইজিং সান’ (Operation Rising Sun)। ইজরায়েলি সেনা সূত্রে দাবি, শুক্রবার থেকে এখনও পর্যন্ত ইরানের ৩৩০টিরও বেশি স্থানে হামলা চালিয়েছে তারা। শনিবারের হামলায় ইরানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭৮ জন। আহতের সংখ্যা ৩২০-এর বেশি।

আরও পড়ুনঃ ১৯৯৩-র ২১ জুলাই মমতার রাজনৈতিক ইতিহাসের মোড় ঘোরানো দিন

Advertisement
ads

সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ইরানের সেনা শীর্ষ মহলে। ইজরায়েলি হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরান সেনার চিফ অফ স্টাফ মহম্মদ বাঘেরি (Mohammad Bagheri), রেভোলিউশনারি গার্ডসের (Revolutionary Guards) কমান্ডার হোসেন সালামি (Hossein Salami), ইরানের এমার্জেন্সি কমান্ডের প্রধান এবং প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি (Ali Shamkhani)-র। ইরান জানিয়েছে, এই হামলায় পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত অন্তত ৬ জন শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়েছে। বহু সেনা আধিকারিক এবং কর্মীরও মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি।

এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত। ইরান ও ইরাক নিজেদের আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে কার্যত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে বিমান পরিষেবা স্তব্ধ। একের পর এক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ওই অঞ্চলের উড়ান বাতিল করেছে।

শনিবারের পালটা হামলার পর ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই টানা হামলা-প্রতিহামলা গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement