'২৫ বছর সার্ভিস করছি, এভাবে বলতে পারেন না'! জ্ঞানেশ কুমারের মুখের ওপর কড়া জবাবকোচবিহারের পর্যবেক্ষকের
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘২৫ বছর সার্ভিস করছি, এভাবে বলতে পারেন না’! জ্ঞানেশ কুমারের মুখের ওপর কড়া জবাবকোচবিহারের পর্যবেক্ষকের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অন্দরে এবার নজিরবিহীন এক সংঘাতের চিত্র ফুটে উঠল। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর বিধানসভা ভোটের পর্যবেক্ষকদের (Observers) নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল (Virtual) বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডায় (Altercation) জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহারের সাধারণ পর্যবেক্ষক অনুরাগ যাদব।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন জ্ঞানেশ কুমার প্রবীণ আইএএস (IAS) অফিসার অনুরাগকে তাঁর কেন্দ্রের বুথ সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন করেন। অনুরাগ উত্তর দিতে কিছুটা ঘাবড়ে গেলে এবং সামান্য তোতলালে (Stammering) বিরক্ত হন কমিশনার। তিনি রাগের মাথায় অনুরাগকে ‘বাড়ি চলে যেতে’ (Go back home) বলেন। একজন সিনিয়র আমলার প্রতি এমন মন্তব্য আসতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অনুরাগ যাদব তৎক্ষণাৎ পালটা দিয়ে বলেন, “আমি ২৫ বছর ধরে সার্ভিস করছি। আপনি আমাদের সঙ্গে এভাবে কথা বলতে পারেন না।” এই কড়া জবাবের পর বৈঠকে কয়েক সেকেন্ডের নিস্তব্ধতা নেমে আসে।

এর আগে কোচবিহারের স্পর্শকাতর (Sensitive) বুথগুলোতে ১৬৩ ধারা জারি করা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের প্রস্তাবেও উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন জ্ঞানেশ। তিনি পুলিশ এবং পর্যবেক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের (Exchange of words) পর পরিস্থিতি শান্ত করতে নিজেই অন্য প্রসঙ্গ শুরু করেন কমিশনার। তিনি নির্দেশ দেন, আইনশৃঙ্খলা (Law and order) বিঘ্নিত হলে পুলিশ পর্যবেক্ষক সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Forces) ডাকতে পারবেন এবং বাহিনীকে ৩০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হবে।

Advertisement
ads

অন্যদিকে, আজই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও জ্ঞানেশ কুমারের সংঘাতের খবর মিলেছে। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন অভিযোগ করেছেন যে, তাঁদের মাত্র সাত মিনিটের মধ্যে ‘গেট লস্ট’ (Get lost) বলে বের করে দেওয়া হয়েছে। যদিও কমিশনের দাবি, ডেরেকই চিৎকার (Shouting) করে অভব্য আচরণ করেছেন। সব মিলিয়ে, একদিকে রাজনৈতিক দল এবং অন্যদিকে নিজস্ব কর্মকর্তাদের সাথে কমিশনারের এই ধারাবাহিক বাদানুবাদ নির্বাচন পরিচালনার নিরপেক্ষতা ও পরিবেশ নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।

Continue Reading
Advertisement