ইলিশের জোগান প্রচুর, পথে কোথায় আটকে যাচ্ছে সস্তার ইলিশ
Connect with us

রাজ্যের খবর

ইলিশের জোগান প্রচুর, পথে কোথায় আটকে যাচ্ছে সস্তার ইলিশ

Dipa Chakraborty

Published

on

নিম্নচাপের (Low Pressure) মেঘ কেটে গিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে আবহাওয়া (Weather) কিছুটা উন্নত হতেই নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন সুন্দরবনের (Sundarbans) উপকূল এলাকার মৎস্যজীবীরা (Fishermen)। কাকদ্বীপ (Kakdwip), নামখানা (Namkhana), পাথরপ্রতিমা (Patharpratima) ও সাগরের (Sagar) ঘাটে এখন ট্রলার (Trawler) প্রস্তুতির জোর কদম চলছে, আর মৎস্যজীবীরা আবারও বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) ইলিশ (Hilsa) শিকারে রওনা হয়েছেন।

মৎস্য দপ্তর (Fisheries Department) সূত্রে খবর, ১৫ জুন থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার মরশুম শুরু হলেও একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Natural Disaster)-এর কারণে প্রায় দেড় মাসের মধ্যে মাত্র ১৫–২০ দিন মাছ ধরা সম্ভব হয়েছে। তাতেই বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে। কিন্তু বাজারে (Market) ইলিশের দাম কমার বদলে আরও বেড়েছে।

অর্থনীতির নিয়ম হলো, বাজারে জোগান (Supply) বাড়লে দাম কমে। কিন্তু ইলিশের ক্ষেত্রে তা ঘটছে না। ট্রলার মালিকদের (Trawler Owners) একাংশের অভিযোগ, সমুদ্র থেকে ধরা ইলিশের বড় অংশই কোল্ড স্টোরেজে (Cold Storage) চলে যাচ্ছে। বড় বড় ব্যবসায়ীরা (Big Traders) বাজারের দর নিয়ন্ত্রণ করছেন, ঠিক যেমন আলু–পেঁয়াজের ক্ষেত্রে হয়। বর্তমানে পাইকারি বাজারে ৫০০–৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০০ টাকা, যা খোলা বাজারে (Retail Market) পৌঁছে ৮০০–১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, “যখন মাছের আমদানি (Import) বেশি হয়, তখন পাইকাররা ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) এবং কলকাতার (Kolkata) বিভিন্ন স্টোরেজে ইলিশ জমা করে রাখেন। এবারও তাই হয়েছে। কিছুদিন আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে ট্রলারগুলো ঘাটে দাঁড়িয়ে ছিল। এখন আবার সমুদ্রে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমেছে। তাই স্টোরেজ থেকে ইলিশ বের করে খুচরো বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।”

Advertisement
ads

তিনি আরও জানান, পাইকাররা দুই ধরণের স্টোরেজে ইলিশ রাখেন — ফ্রোজেন (Frozen), যেখানে মাইনাস ডিগ্রি টেম্পারেচারে (Minus Degree Temperature) দীর্ঘদিন রাখা হয়, এবং বরফে (Ice) সংরক্ষিত, যা ৭–১০ দিন রাখা যায়। এই সঞ্চয়ের পদ্ধতি এবং পাইকারদের নিয়ন্ত্রণের কারণেই খোলা বাজারে ইলিশের দাম বেশি হচ্ছে।

ট্রলার মালিক মেঘনাদ দাস বলেন, “ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের কাছে মাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ট্রলার থেকে মাছ নামার পর সরাসরি নগেন্দ্রবাজার আড়তে (Nagendra Bazaar Auction Market) পাঠানো হয়। সরকারি স্টোরেজ থাকলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যেত।”

Continue Reading
Advertisement