পুরকর্মীদের বকেয়া গ্র্যাচুইটি মেটাতে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ, ১০ মাস সময়সীমা
Connect with us

ভাইরাল খবর

পুরকর্মীদের বকেয়া গ্র্যাচুইটি মেটাতে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ, ১০ মাস সময়সীমা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বহু বছরের অপেক্ষা ও আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন অবসরপ্রাপ্ত পুরকর্মীরা (Retired Municipal Employees)। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ (Division Bench) জানিয়ে দিল, আগামী ১০ মাসের মধ্যে বকেয়া (Due) গ্র্যাচুইটি (Gratuity) মেটাতে হবে পুরসভাকে।

বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha) এবং বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্ত (Justice Ajay Kumar Gupta)-র বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে বহরমপুর পুরসভাকে (Berhampore Municipality)।

জানা গিয়েছে, বহু বছর ধরে একাধিক কর্মী অবসর (Retirement) নিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের প্রাপ্য গ্র্যাচুইটি অর্থ এখনও হাতে পাননি। এই অবস্থায় ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন প্রাক্তন কর্মী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। শুনানিতে বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বছরের পর বছর টাকা আটকে রাখা আইনসম্মত নয়।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, শুধু আসল টাকা নয়, সুদ (Interest)-সহ মেটাতে হবে পুরো বকেয়া। যতদিন ধরে টাকা আটকে রয়েছে, সেই সময় থেকে বছরে ৮ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ১০ মাসের মধ্যে অর্থ মেটানো না হয়, তাহলে সুদের হার বেড়ে দাঁড়াবে ১১ শতাংশ

Advertisement
ads

বহরমপুর পুরসভার পক্ষ থেকে সওয়ালকারী আইনজীবী (Lawyer) অরিন্দম দাস (Arindam Das) আদালতকে জানান, পুরসভার আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। শুধুমাত্র সম্পত্তি কর (Property Tax) থেকে আয় হচ্ছে, সেই টাকা দিয়েই বকেয়া মেটানোর চেষ্টা চলছে।

তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ আদালত। বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণে বলেন, শুধু সম্পত্তি করের টাকায় এত বড় অঙ্ক মেটানো সম্ভব নয়। রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরকেও (Finance Department) পাশে দাঁড়াতে হবে।

আদালতের মন্তব্য, এই সমস্যা কেবল বহরমপুরে নয়, রাজ্যের বহু পুরসভায় (Municipalities) একই অবস্থা। বিচারপতিরা পূর্ববর্তী একটি মামলার কথা উল্লেখ করে বলেন, বকেয়া মেটাতে ব্যর্থ হলে পুরসভার চালানোর অধিকার (Right to Govern) পর্যন্ত বাতিল হতে পারে।

Advertisement
ads

আদালতের এই রায়ে বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মী আশার আলো দেখছেন। তাঁদের বক্তব্য, এতদিন পর ন্যায্য প্রাপ্য পাওয়ার একটা স্পষ্ট দিশা তৈরি হল। এখন দেখার, পুরসভা ও রাজ্য সরকার এই নির্দেশ কতটা দ্রুত কার্যকর করে।

Continue Reading
Advertisement