খুন
রেজ্জাক খাঁ হত্যায় ষড়যন্ত্রের ছক ১৫ দিন আগে, ধৃত রফিকুল; গ্রেফতার বেড়ে ৫
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা রেজ্জাক খাঁ (Rajjak Khan) খুনের ঘটনায় তদন্তে গতি আনল পুলিশ। সোমবার রাতে হাসনাবাদের সদরপুর এলাকা থেকে চকমরিচার বাসিন্দা রফিকুল খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই হত্যাকাণ্ডে রফিকুল প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এবং তাঁর বিরুদ্ধে ‘premeditated murder’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, খুনের অন্তত ১৫ দিন আগেই রেজ্জাক খাঁকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষা হয়েছিল। প্রথম পরিকল্পনায় ব্যর্থ হওয়ার পর ফের নতুন করে ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় নির্জন স্থানে, যেখানে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই মামলায় রফিকুল-সহ মোট গ্রেফতারের সংখ্যা এখন পাঁচ।
আরও পড়ুনঃ ‘ডিমভাত খাওয়ার উৎসাহ বিজেপিতেও!’ একুশে নিয়েই দলের নেতাদের খোঁচা দিলীপের
এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক রেষারেষি জড়িত থাকতে পারে বলে অনুমান করছে পুলিশ। ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা প্রথম থেকেই এই ঘটনায় সরাসরি আইএসএফ (ISF)-এর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া মোফাজ্জেল মোল্লা আইএসএফ-এর হয়ে খুনে মদত দিয়েছে। যদিও মোফাজ্জেল নিজেও পরিচিত তৃণমূল নেতা ছিলেন।
আরও এক ধৃত, আজাহারউদ্দিন মোল্লা, আগে আইএসএফের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও সূত্রের খবর। পরে শওকতের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি একবার বোমা বাঁধতে গিয়ে গুরুতর আহতও হয়েছিলেন। তার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
তবে সোমবার রাতে ধৃত রফিকুল খান আদৌ কোনও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। এদিকে, ঘটনার জেরে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী।
